বিভিন্ন ব্যাংকের সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন তাঁরা। পোশাক-আশাকে পুরোদস্তুর গোয়েন্দা পুলিশ। মাঝেমধ্যে হয়ে যান র্যাবও। ভেতর থেকে কেউ মোটা অঙ্কের টাকা তুলে বের হলে হাতকড়া পরিয়ে তাৎক্ষণিক গাড়িতে তুলে নেন। শুরু হয় এলোপাতাড়ি মারধর। এরপর টাকাপয়সা রেখে গাড়িতে করে রাজধানী থেকে একটু দূরে ফেলে আসেন। ততক্ষণে ভুক্তভোগী বুঝতে পারেন, এরা আসলে ভুয়া গোয়েন্দা কিংবা র্যাব।
ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে গতকাল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এমন এক চক্রের কথা জানিয়েছেন ডিবির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার হারুন অর রশিদ। তিনি জানান, মঙ্গলবার এই চক্রের ৯ সদস্যকে মতিঝিল ও মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা গুলশান বিভাগ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন আবদুল্লাহ আল মামুন, ইমদাদুল শরীফ, খোকন, মাসুম রহমান তুহিন, মানুন শিকদার, কমল হোসেন, ওয়াহিদুল ইসলাম, ফারুক বেপারী ও মতিউর রহমান।
জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে হারুন অর রশিদ বলেন, ‘হাতে ওয়্যারলেস সেট, গায়ে র্যাব, ডিবি ও পুলিশের জ্যাকেট পরা দেখলেই তাঁদের পুলিশ বা র্যাব মনে করার কোনো কারণ নেই। তাঁদের যাচাই করুন।’