হোম > ছাপা সংস্করণ

১৭০ বছর পরও অবহেলিত

বাবুল আক্তার, পাইকগাছা

পাইকগাছায় অবস্থিত দেশের ঐতিহ্যবাহী নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভুবন মোহিনী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। ১৮৫০ সালে নারী শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় বিদ্যালয়টি।

ব্যক্তি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ১৭০ বছর পার করা বিদ্যালয়টিতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন তেমন হয়নি। নানা অবহেলা আর সীমাবদ্ধতায় ধুঁকছে বিদ্যালয়টি। এটিকে জাতীয়করণের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।

স্থানীয় ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, দেশের প্রথম ও ভারতীয় উপমহাদেশের দ্বিতীয় নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এটি। উপজেলার রাড়ুলীতে বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের (পিসি রায়ের) পিতা হরিশ্চন্দ্র রায় তাঁর স্ত্রী ভুবন মোহিনী দেবীর নামে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া জন্মের প্রায় ৩০ বছর আগে এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠালগ্নে স্কুলটি প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিকে পাঠদান করানো হলেও পরবর্তীতে তা মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে মোট ২১২ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। এতে ১২ জন শিক্ষক ও চারজন কর্মচারী রয়েছেন। বিগত ৫ বছর এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিকে শতভাগ পাস করে আসছে। এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে ৩৪ জন ছাত্রী। তবে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মধ্যে সম্প্রতি একটি নতুন ভবন তৈরির কাজ শুরু হয়।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা নিজেদের কাছে গর্ববোধ করি এ জন্য যে এটি দেশের প্রথম নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করছি।

শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা বলেন, প্রায় দুই শ বছরের কাছাকাছি সময়ে দাঁড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটি। তবে বিদ্যালয়টি অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়নি।

স্থানীয় একাধিক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, আমার বাপ, দাদা ও পিতামহদের আমলে তৈরি প্রতিষ্ঠানটি আজও অবহেলিত। পিসি রায় একজন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী। তার বাবার প্রতিষ্ঠিত দেশের প্রথম নারী শিক্ষার প্রতিষ্ঠানটি সরকারিকরণ না হওয়া অত্যন্ত দুঃখের। এর ইতিহাস, ঐতিহ্য ও স্মৃতি ধরে রাখতে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

রাড়ুলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আরকেবিকে হরিশ্চন্দ্র ইনস্টিটিউশন কলেজিয়েটের সাবেক অধ্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ বলেন, ধারণা করা হয় ভারতীয় উপমহাদেশের দ্বিতীয় নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এটি। কিন্তু দীর্ঘ দিনেও বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের আওতায় না আসায় শিক্ষার যথার্থ পরিবেশ পাচ্ছেন না শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। তাই বিদ্যালয়টি জাতীয়করণে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

ভুবন মোহিনী বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গৌতম কুমার ঘোষ, জাতীয়করণসহ সরকারি সুদৃষ্টি পেলে বিদ্যালয়টি আরও সুনামের সঙ্গে এগিয়ে যাবে।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ