হোম > ছাপা সংস্করণ

দোহারে নির্বাচনী আমেজ

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি

ঢাকার দোহারে পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের কোনো তারিখ এখনো হয়নি। তবে আগামী ডিসেম্বর বা ফেব্রুয়ারিতে উভয় নির্বাচন হতে পারে এমন সম্ভাবনায় দোহারে বইছে নির্বাচনী আমেজ। গ্রামের মেঠোপথের আনাচে-কানাচে, চায়ের দোকানে বইছে সরব নির্বাচনী হাওয়া। চলছে প্রার্থীদের উঠান বৈঠকে প্রচার।

বিএনপির প্রার্থীদের নাম শোনা না গেলেও পৌরসভা নির্বাচন ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের একাধিক নেতা-কর্মীর নাম শোনা যাচ্ছে। এসব সম্ভাব্য প্রার্থী তাঁদের রঙিন ফেস্টুন ব্যানার দিয়ে পথেঘাটে চালাচ্ছেন প্রচার। উপজেলার বিলাসপুর, মাহমুদপুর, নয়াবাড়ি, নারিশা, কুসুমহাটি, রাইপাড়া, মুকসুদপুর, সুতারপাড়া ইউনিয়ন ও দোহার পৌরসভা এলাকা ঘুরে নির্বাচনী প্রচার চালাতে দেখা গেছে।

কে পাবেন নৌকার দলীয় টিকিট বা কে-ই বা পাবেন জ্যেষ্ঠ নেতাদের আশীর্বাদ, সেই তোড়জোড় শুরু হয়েছে মাসখানেক ধরে। তবে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দোহার ইউনিয়ন নির্বাচন আগামী ডিসেম্বরে না হলেও নতুন বছরের ফেব্রুয়ারিতে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমন অবস্থায় প্রচারে পিছিয়ে থাকতে নারাজ প্রার্থীরা। তাই প্রার্থীরা বিভিন্ন ধরনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন ভোটারদের।

তেমনি এক উঠান বৈঠকে মাহমুদপুর ইউপির চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহমুদপুর ইউনিয়নের যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক নুরুজ্জামান মোড়ল বলেন, ‘আমি আপনাদের গ্রামেরই সন্তান, আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই এবং আপনাদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই।’ আরেক ইউপির চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী একলাল উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘এই রাইপাড়া ইউনিয়ন আমার মা। আমি এই মায়েরই সন্তান। আমি সন্তান হিসেবে নির্বাচিত হতে পারলে রাইপাড়াকে আরে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলব।’

অন্যদিকে দোহার পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকলেও পৌর মেয়র প্রার্থীরাও প্রচার ও উঠান বৈঠকে পিছিয়ে নেই। মেয়রপ্রার্থী জামাল উদ্দিন আহমেদ এক উঠান বৈঠকে বলেন, ‘আগামী পৌর নির্বাচনে আমি আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী। যদি দলীয় মনোনয়ন পাই, তাহলে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। নির্বাচিত হলে পৌরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে পৌরসভায় শিক্ষা বিস্তার, মাদকমুক্ত, শতভাগ স্যানিটেশন, বিশুদ্ধ খাবার পানির সুব্যবস্থা ও সবার সমঅধিকার প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দোহার পৌরসভাকে একটি মডেল পৌরসভায় উন্নীত করব।’

নির্বাচনের বিষয়ে ঢাকা-১ আসনের সাংসদ সালমান এফ রহমান বলেন, ‘আমি আমার আসনের ইউপি নির্বাচনের পরিসংখ্যান করিয়েছি। তাঁর মধ্যে সবচেয়ে নিম্নস্তরে আছে নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়ন। সেখানে নৌকার অবস্থান চার নম্বরে। আমি এই পরিসংখ্যানটি করিয়েছি নির্বাচনে কে কত জনপ্রিয় সেটা জানার জন্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের কাছে যেমন জনপ্রিয়, প্রার্থীদেরও তাঁর স্থানে জনপ্রিয় হতে হবে।’

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ