ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদী দখলকারীদের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনকে ওই তালিকা দাখিল করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ দখল, দূষণ রোধ এবং সীমানা নির্ধারণে নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছেন আদালত।
ভূমি সচিব, পরিবেশ সচিব ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান, পানি উন্নয়নের বোর্ডের মহাপরিচালক, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট ১১ জনকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ-সংক্রান্ত রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর আগে গত ৩০ নভেম্বর তিতাস নদী দখলমুক্ত করতে জনস্বার্থে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ কিউ এম সোহেল রানা। রিটের পক্ষে গতকাল মঙ্গলবার তিনি নিজেই শুনানি করেন। তাঁকে সহযোগিতা করেন মুহাম্মদ রেজাউল করিম। অন্যদিকে রাষ্ট্র পক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।
আইনজীবী সোহেল রানা বলেন, তিতাস নদী দখল নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। বিষয়টি নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনি নোটিশ দেওয়া হয়। কিন্তু নোটিশের কোনো জবাব না পাওয়ায় হাইকোর্টে রিট করা হয়।