হোম > ছাপা সংস্করণ

পায়রাকুঞ্জে সেতু নির্মাণ শুরু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালী-মির্জাগঞ্জ সড়কের পায়রা নদীর পায়রাকুঞ্জ এলাকায় একটি সেতুর দাবিতে ২০১৬ সালে চিঠি লিখেছিল সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র শীর্ষেন্দু। আবেদনের জবাবে সেই সময় সেতু নির্মাণে প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী। আর এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে সেতু বিভাগ। ইতিমধ্যে জমি অধিগ্রহণ, পরামর্শক ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান নিয়োগ শেষ পর্যায়ে। এতে আনন্দিত স্কুলছাত্র শীর্ষেন্দু বিশ্বাস তাঁর পরিবার ও স্থানীয়রা।

গত বুধবার বিকেলে সেতু এলাকা পরিদর্শনে আসেন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক ও সেতু বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক। তিনি পায়রাকুঞ্জে সেতু নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণের কথা জানিয়েছেন। সেতু বিভাগ সূত্র জানা যায়, পায়রা নদীর ওপর সেতু নির্মাণে প্রকল্পের ডিপিপি ২০২০ সালে মার্চে একনেক সভায় অনুমোদিত হয়। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৪২ কোটি টাকা। ২০২৫ সালের মধ্যে সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। বর্তমানে ডিপিপি অনুসারে, ১০ একর জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন শেষে অধিগ্রহণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অতিরিক্ত জমি ডিপিপি সংশোধনপূর্বক অধিগ্রহণ করা হবে। গত ১২ আগস্ট ঠিকাদার নিয়োগের দরপত্র জমা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দরপত্র মূল্যায়ন চলমান রয়েছে। সেতুর মোট দৈর্ঘ্য ১৬৯০ মিটার। এর মধ্যে মাঝের ১০০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৯টি স্প্যান এবং উভয় প্রান্তে ৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ২টি স্প্যান ও ৩০ মিটার দৈর্ঘ্যের ২৩টি স্প্যান।

কচুয়া-বেতাগী-পটুয়াখালী সড়কের ১৭ তম কিলোমিটারে পায়রা নদীর ওপর পায়রাকুঞ্জ নামকস্থানে ১ হাজার ৬৯০ মিটার দীর্ঘ প্রস্তাবিত সেতুটি নির্মিত হলে মির্জাগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে পটুয়াখালী সদরের ভ্রমণ সময় প্রায় দেড় ঘণ্টা হ্রাস পাবে এবং লেবুখালী ও পদ্মা সেতুর মাধ্যমে মির্জাগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে ঢাকার সরাসরি ও নিরবচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হবে।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান খান মো. আবু বকর সিদ্দিকী বলেন, ‘মির্জাগঞ্জ উপজেলাবাসীর দীর্ঘ দিনের স্বপ্নের সেতুটি বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। ছোট একটি শিশুর চিঠির জবাবে প্রধানমন্ত্রী পায়রা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।’

শীর্ষেন্দু বিশ্বাস বর্তমানে সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। শীর্ষেন্দু বলেন, ‘২০১৬ সালে আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই সেতুর জন্য চিঠি দিয়েছিলাম। সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে আজ এই সেতুটি বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। আমিসহ পটুয়াখালীবাসী অনেক আনন্দিত।’

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক ও সেতু বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক বলেন, ‘এটি প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব উপহার। একজন স্কুলছাত্রের চিঠিতে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী আমাদের সে মোতাবেক নির্দেশনা দিয়েছেন।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ