হোম > ছাপা সংস্করণ

সেই একই সমস্যা-সীমাবদ্ধতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

‘বিপিএল সব সময়ই আমাদের একটা মাথাব্যথা’—গত বছরের শুরুতে আজকের পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কথাটা বলেছিলেন ইসমাইল হায়দার মল্লিক। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিবের এই সরল স্বীকারোক্তি দিয়েই যেন শুরু হতে যাচ্ছে আরেকটি বিপিএল।

আর চার দিন পরই মাঠে গড়াবে দেশের সবচেয়ে বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট বিপিএলের নবম আসর। এবারও শুরুর আগেই আলোচনায় বিপিএলের সমস্যা-সীমাবদ্ধতা। বাইরের কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের সঙ্গে সূচি সাংঘর্ষিক হওয়ায় এবার ভালোমানের বিদেশি ক্রিকেটার দলে নিতে পারেনি বিপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হচ্ছে, এর মধ্যে দলে ভেড়ানো ক্রিকেটারদের পাওয়া নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বোর্ডের কাছ থেকে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পাওয়ার জটিলতা এখনো থেকে গেছে। জানা গেছে, শ্রীলঙ্কা জাতীয় দল ও এর আশপাশে থাকা ক্রিকেটারদের অনাপত্তিপত্র দিচ্ছে না এসএলসি। রংপুর রাইডার্স যেমন দলে ভিড়িয়েছিল লেগ স্পিনার জেফরি ভান্ডারসে ও উদ্বোধনী ব্যাটার পাথুম নিশাঙ্কাকে। দুজনই এখনো বোর্ডের কাছ থেকে এনওসি পাননি।

বিষয়টি নিয়ে রংপুরের টিম ডিরেক্টর শানিয়ান তানিম আজকের পত্রিকাকে বলছিলেন, ‘যতটুকু জেনেছি, যেসব ক্রিকেটাররা কেন্দ্রীয় চুক্তিতে আছেন, তাঁদের বোর্ড ছাড়তে চাচ্ছে না। শুনেছি, দুই-তিনজনকে দেওয়া হয়েছে, যাঁরা কেন্দ্রীয় চুক্তিতে নেই। কিন্তু আমাদের যাঁরা জাতীয় দলের ক্রিকেটার আছেন, তাঁরা পাননি। বিসিবি থেকে আমাদের জানানো হয়েছে, তাঁরা শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছে। এখন যেহেতু হাতে বেশি সময় নেই, শেষ পর্যন্ত ওরা না এলে যাঁরা আছেন তাঁদের নিয়েই খেলতে হবে।’ আজ নতুন বছরের প্রথম দিন নিজেদের মাঠ বসুন্ধরা অ্যারেনায় অনুশীলন করবে রংপুর রাইডার্স। অনুশীলন সূচি আছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসেরও।

শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের পাওয়া নিয়ে একই সমস্যায় পড়েছে সিলেট স্ট্রাইকার্স ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সও। সিলেটের তিন শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, কামিন্দু মেন্ডিস ও থিসেরা পেরারার মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া পেরারাই শুধু এনওসি পেয়েছেন। এনওসি পাননি চট্টগ্রামের আশান প্রিয়াঞ্জন ও বিশ্ব ফার্নান্দোও। বিকল্প হিসেবে দুই লঙ্কান ক্রিকেটার লেগ স্পিনার বিজয়কান্ত ভিয়াস্কান্ত ও অলরাউন্ডার মালিন্দা পুষ্পকুমারাকে দলে নিয়েছে তারা।

তবে বিষয়টির দ্রুত সমাধান হওয়ার কথা জানিয়েছেন ইসমাইল হায়দার মল্লিক। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব বলেছেন, ‘এটা (শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের এনওসি) নিয়ে আমাদের বোর্ডের ম্যানেজমেন্ট কাজ করছে। আমাদের সিইও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। আশা করছি, বেশির ভাগ খেলোয়াড়ের এনওসি পেয়ে যাব।’

এনওসি সমস্যার সঙ্গে বিপিএলের কিছু সীমাবদ্ধতাও সামনে আসছে। এবারের বিপিএলেও থাকছে না ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম বা ডিআরএস। এ নিয়ে ইসমাইল হায়দার মল্লিক বলেছেন, ‘ডিআরএস এলিমেনেটর থেকে থাকবে। আর বাকি ম্যাচগুলোয় আমরা একটা বিকল্প ডিআরএস দেওয়ার চেষ্টা করছি। যেটা গতবার ছিল, তার চেয়ে একটু উন্নতমানের ডিআরএস থাকবে। যেটাকে আমরা বলছি বিকল্প ডিআরএস।’

তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের জন্য খুশির খবর হচ্ছে, এবার বাড়ছে প্রাইজমানি। চ্যাম্পিয়ন দল পাবে দুই কোটি ও রানার্সআপ এক কোটি টাকা। টুর্নামেন্ট সেরার জন্য ১০ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে চার কোটি টাকার মতো প্রাইজমানি থাকবে এবারের বিপিএলে।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ