বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক কামাল হোসেন মুফতির বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এর বিচারের দাবিতে এমকে রতন নামে এক ব্যবসায়ী গতকাল বুধবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
লিখিত বক্তব্যে এমকে রতন বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পথ্য, স্টেশনারি ও ধোলাই সরবরাহের দরপত্র সর্বনিম্ন দরদাতা রাজধানীর মহাখালীর মেসার্স আরিয়া ট্রেডার্সকে দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক কামাল হোসেন মুফতি। অথচ দরপত্রের ১৮ নম্বর শর্তে উল্লেখ ছিল সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ দেওয়া যাবে না।
এদিকে খোঁজ নিয়ে দেখা যায় আরিয়া ট্রেডার্স নামে কোনো প্রতিষ্ঠানই নেই। ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করতেই তিনি এমনটি করেছেন।
তিনি আরও বলেন, চিকিৎসক কামাল হোসেন মুফতি হাসপাতালের কোয়ার্টারে এবং তাঁর অফিস কক্ষে ৩০০ টাকা ভিজিট নিয়ে রোগী দেখেন। তা ছাড়া ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর কারণে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও হয়েছে। ইতিমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্তও শুরু করেছে।
এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে আমার নামে একটি মিথ্যা মামলাও দিয়েছেন। আমি অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও স্থানীয়দের হয়রানির হাত থেকে মুক্তির জন্য সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এসব অভিযোগের মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক কামাল হোসেন মুফতি বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ থাকতে পারে। এসব বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তের অভিযোগের সত্যতা পেলে যা হয় হবে।’
বাগেরহাটের সিভিল সার্জন চিকিৎসক জালাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমি নতুন যোগদান করেছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন স্বাস্থ্য বিভাগের এই কর্মকর্তা।’