তামিম ইকবাল অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়ায় একসঙ্গে দুটি প্রশ্নের উত্তর পেতে হচ্ছে বাংলাদেশ দলকে। নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক কে হবেন, সেই উত্তর দুই-চার দিনের মধ্যেই হয়তো মিলবে। যেহেতু এশিয়া কাপের দল ঘোষণার সময় হয়ে আসছে। কোমরের চোটে এশিয়া কাপ থেকে ছিটকে যাওয়ায় একই সঙ্গে নির্বাচকদের একজন বিকল্প ওপেনারও খুঁজতে হচ্ছে।
১৬ বছর ধরে ওপেনিংয়ে এক প্রান্ত নিয়ে নির্বাচকদের চিন্তামুক্ত রেখেছিলেন তামিম। তিনি হয়তো ফিট থাকলে সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড সিরিজ ও অক্টোবর-নভেম্বরে বিশ্বকাপ খেলবেন। আপাতত এশিয়া কাপের আগে লিটন দাসের একজন যোগ্য সঙ্গী খুঁজতে হচ্ছে বিসিবির নির্বাচকদের। এ বছর একাধিক ওপেনারকে পরখ করে দেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। মোহাম্মদ নাঈম, রনি তালুকদারকে সর্বশেষ কয়েকটি সিরিজে দেখা হয়েছে। সর্বশেষ ইমার্জিং এশিয়া কাপে সাইফ হাসান, সৌম্য সরকারকে দেখা হয়েছে। তবে কেউই সেভাবে ধারাবাহিক নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি।
এর মধ্যে আলোচনায় আছেন পাইপলাইনে থাকা আরেক ‘তামিম’—তানজিদ হাসান তামিম। ২০২০ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য তামিমও একজন বাঁহাতি ওপেনার। সর্বশেষ ইমার্জিং এশিয়া কাপে ৪ ম্যাচে তিন ফিফটিতে করেছেন দলের ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৭৯ রান, তাঁর স্ট্রাইকরেট প্রশংসনীয় ১১৬.৯৯। তবে জুনিয়র তামিমের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা না থাকায় এখনই এশিয়া কাপের মতো বড় মঞ্চে নিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি নেবে কি না, বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট, সেটি নিয়ে ভাবছেন নির্বাচকেরা। এখানে তাঁদের কাছে ভালো বিকল্প মনে হচ্ছে সাইফকে। ইমার্জিং দলকে নেতৃত্ব দেওয়া এই ২৪ বছর বয়সী টপঅর্ডার ব্যাটারের অভিজ্ঞতা আছে ৬ টেস্ট ও ২ টি-টোয়েন্টি খেলার। দুই দিন আগে আজকের পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাইফের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছিলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও।
নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত ইমার্জিং কাপে দুই ওপেনারকে দেখেছেন কাছ থেকেই। দুজনকে নিয়ে তাঁর পর্যবেক্ষণ, ‘(তানজিদ) তামিম বেশ ভালো ওপেনার। তবে ওর এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা হয়নি। সাইফের আবার আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে। এশিয়া কাপ খেলতে যেহেতু ২৬ আগস্ট আমরা রওনা দেব, দ্রুত সব ঠিক করে ফেলতে হবে।’