চাঁদপুরের মতলব উত্তরের ফতেপুরবাসী অবশেষে একটি কাঠের সেতু পেয়েছে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) একটি প্রকল্প থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে ১৬০ ফুট দৈর্ঘ্যের এ সেতু নির্মাণ করা হয়। এতে সেতুর দুই পাড়ের বাসিন্দাদের মুখে হাসি ফুটেছে। তবে একটি পাকা সেতু হলে দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান হবে বলে জানান এলাকাবাসী।
জানা যায়, ফতেপুর পশ্চিম ও পূর্ব দুই ইউনিয়নের মাঝখানে একটি খাল থাকায় দুই পাড়ের বাসিন্দাদের যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছিল। তা ছাড়া আরও দু-তিনটি গ্রামের লোকজনও এ সড়ক দিয়ে চলাচল করেন। শুকনো মৌসুমে কোনোমতে এই খালটি পার হতে পারলেও বর্ষায় গ্রামের জনগণ পানিবন্দী অবস্থায় থাকে। এই খাল পারাপারে কোনো ব্যবস্থা না থাকায় কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো।
এতে শিশু, নারী ও বৃদ্ধদের দুর্ভোগ পোহাতেন সবচেয়ে বেশি। আর রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া ছিল আরও কঠিন। তাই এখানে একটি সেতু নির্মাণের জন্য এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আজমল হোসেন চৌধুরীর উদ্যোগে একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান আজমল হোসেন চৌধুরী সদ্যসমাপ্ত ইউপি নির্বাচনের পূর্বে ওয়াদা করেছেন নির্বাচনে জয়লাভ করুক বা না করুক, জনগণের ও শিক্ষার্থীর চলার সুবিধার জন্য কাঠের সেতু নির্মাণ করে দেবেন। সম্প্রতি তিনি একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করে দেন। এটি হওয়ায় গ্রামের মানুষের কষ্ট অনেকটা কমেছে।
ইউপি সদস্য গোলাম নবী খোকন বলেন, সময়ের ব্যবধানে দুই পাশ ভেঙে খালটি বড় হয়ে গেছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে অনুরোধ, শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে হলেও যেন ওই স্থানে একটি সেতু নির্মাণ করে দেন।
ইউপি চেয়ারম্যান আজমল হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘গোয়ালভাউর আমার পাশের গ্রাম। সেতুর অভাবে এলাকার মানুষ দিনের পর দিন দুর্ভোগে ছিলেন। এবার নির্বাচনের সময় ওই গ্রামের লোকজন একটি সেতু না থাকার আক্ষেপ প্রকাশ করেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের সমাধানের আশ্বাস দিই এবং পরবর্তীতে আমি নিজে দেখে এসে সম্প্রতি কাঠের সেতু নির্মাণ করে দিয়েছি।’