হোম > ছাপা সংস্করণ

ওএমএসের চাল কিনছে কারা

আবুল কালাম আজাদ, চারঘাট

দরিদ্র মানুষের জন্য চালু করা খোলাবাজারে (ওএমএস) চাল-আটা বিক্রির সরকারি কার্যক্রমে দৃশ্যমান কোনো সাড়া নেই রাজশাহীর চারঘাটে। কোথাও কোথাও ওএমএসের দোকান খুলছে দেরিতে। আবার কোথাও দিনভর ক্রেতাশূন্য থাকছে ওএমএসের দোকান। চাল নিতে এসে ফেরতও যাচ্ছে অনেকে। এরপরও দিন শেষে বরাদ্দের চাল বিক্রি-বণ্টনসহ শেষ হচ্ছে বলে দেখানো হচ্ছে খাতাপত্রে। তাহলে বরাদ্দের চাল যাচ্ছে কোথায়, এমন প্রশ্ন উঠেছে অনেকের মনে।

চারঘাট পৌরসভায় চারটি জায়গায় চলছে ওএমএস দোকানের মাধ্যমে চাল ও আটা বিক্রি। আটার বরাদ্দ আপাতত না থাকায় দেড় টন করে চাল বরাদ্দ পাচ্ছেন ডিলারেরা। দেড় টন চাল সর্বনিম্ন ৩০০ ক্রেতার কাছে বিক্রি করার নির্দেশনা রয়েছে। এই কার্যক্রমের শুরুর দিকে সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিল। কিন্তু বর্তমানে ওএমএসের দোকানগুলো ফাঁকা। এ জন্য ডিলারদের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সমাজসেবক সাইফুল ইসলাম বাদশা বলেন, ডিলারের দোকানে ক্রেতা আসছে খুবই কম। যারা যাচ্ছে তাদেরও অনেকে চাল না পেয়ে ফেরত যাচ্ছে। তাই প্রতিদিনের বরাদ্দের চালের বেশির ভাগই বিক্রি হচ্ছে না। এ অবস্থায় সবার প্রশ্ন, তাহলে এই চাল যাচ্ছে কোথায়?

ওএমএস ডিলার আব্দুস সালাম ও জহুরুল ইসলাম বলেন, আগের মতো ভিড় জমছে না। তবে ক্রেতারা নির্দিষ্ট সময়ে এসে চাল কিনে নিয়ে যায়। এক কেজি চালও অবশিষ্ট থাকে না। রেজিস্ট্রার খাতায় যাদের নাম লেখা থাকে, তারা সবাই চাল নেয়।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মলিউজ্জামান বলেন, ওএমএসের দোকানের ডিলারদের সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রেখেই ওএমএস চাল বিক্রি চলছে। প্রতিদিনই চাল বিক্রি হয়ে যায়, অবশিষ্ট থাকে না। এরপরও কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ