যশোর সদর উপজেলায় এক স্কুলছাত্রী ও মনিরামপুরে এক নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
যশোর: সদর উপজেলার সুজলপুর গ্রামের জান্নাতুল ফেরদৌস দোলা নামের এক স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্কুলের রেজিস্ট্রেশনের টাকা দিতে না পারায় সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে পরিবার দাবি করেছে।
দোলার বাবা ইয়ার আলী জানান, ধর্মতলা কদমতলা এলাকার পপুলার কিন্ডারগার্টেনের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল দোলা। তার দশম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনের জন্য ৮ হাজার টাকা পাওনা ছিল স্কুলে। কিন্তু দেওয়া হয় এক হাজার টাকা।
ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, ‘গত শনিবার কিন্ডারগার্টেনের কয়েকজন শিক্ষক বাড়িতে গিয়ে ছিলেন। কিন্তু হাতে কোনো টাকা না থাকায় বকেয়া পরিশোধ করতে পারিনি। শিক্ষকেরা বাড়ি থেকে চলে গেলে দোলা বাড়িতে হট্টগোল করে। পরে বিকেলে ঘরে ঢুকে ঘরের আড়ার সঙ্গে দড়ি ঝুলিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে পরিবারের লোকজন টের পেয়ে তাকে দ্রুত যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেয়। কিন্তু হাসপাতালে নেওয়ার আগেই দোলা মারা যায়।’
গতকাল রোববার সকালে তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দোলা গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে তার বাবা দাবি করেছেন। তার গলায় দাগ রয়েছে।’
মনিরামপুর: মনিরামপুরে গুরুতর অসুস্থ বড় বোনকে শুইয়ে রেখে পাশে গলায় ফাঁস দিয়ে সামেহ বানু (৫৫) নামে এক নারী আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার সকালে ঘরের আড়ার সঙ্গে রশিতে ঝুলতে দেখে স্বজনেরা লাশ নামান।
সামেহা বানু উপজেলার খাটুরা গ্রামের জাহান আলী মোড়লের মেয়ে। তিনি ও তাঁর বড় বোন জামেলা খাতুন খুকি স্বামী পরিত্যক্তা হয়ে বহু বছর খাটুরা গ্রামে বাবার বাড়ি থাকতেন।
মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর-ই-আলম সিদ্দীকি বলেন, ‘এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।’