হোম > ছাপা সংস্করণ

ভবন নির্মাণের ১৫ বছরেও চালু হয়নি সেবা

আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ)

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নে প্রায় ১৫ বছর আগে নির্মাণ করা হয়েছিল ১০ শয্যাবিশিষ্ট ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র। ভবনটি বুঝে পেলেও জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ফলে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা দুই তলার এই কেন্দ্রটিতে সেবা এখনো চালুই করা যায়নি। স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি বন্ধ থাকার কারণে মাদকসেবীদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে।

গত শনিবার বেলা ১২টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, জৈনসার ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির পুরো এলাকাজুড়ে আগাছা। ভবনের চারপাশে সিগারেটের খোসা এবং দিয়াশলাইসহ মাদকসেবীদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র। এ ছাড়া ভবনটির দরজা-জানালা ভাঙা। বিদ্যুতের কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি। ফলে ভবনটি ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়েছে।

জানা যায়, প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০৬ সালের অক্টোবর মাসে নির্মিত হয় ১০ শয্যাবিশিষ্ট জৈনসার ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি। এর পর থেকে জনবল না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে।

জৈনসার ইউনিয়নের বাসিন্দা আয়েশা আক্তার বলেন, ‘প্রায় ১০ থেকে ১৫ বছর আগে নির্মাণ হয়েছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি। কিন্তু নির্মাণের পর থেকেই এটি বন্ধ রয়েছে। এখন স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়েছে। এখান দিয়ে মানুষ যাওয়া আসা করে না। স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি যদি চালু করে দেওয়া হয় তবে আমাদের জন্য অনেক ভালো হয়।’

আরেকজন বাসিন্দা মনিকা আক্তার বলেন, ‘সরকার জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণ করেছে। কিন্তু জনবল না দিলে স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণ করে আর লাভ কী? এ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধ থাকার কারণে আমরা স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। তাই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি চালু করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।’

জৈনসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম দুদু বলেন, ‘স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি থেকে কেউ সেবা পায় না, মাঝে মাঝে একজন ডাক্তার মোটরসাইকেল নিয়ে আসেন। কিন্তু এখানে সেবা দেন না। স্থানীয়রা পাশের দুইটি কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে সেবা নিতে বাধ্য হন। ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি চালু থাকলে সাধারণ মানুষ এখান থেকে অনেক সেবা নিতে পারতেন।’

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আরাফাত হোসেন বলেন, ‘জৈনসার ইউনিয়নে প্রায় ১৫ বছর আগে নির্মাণ করা হয় ১০ শয্যাবিশিষ্ট ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র। এটি নির্মাণের পর আর জনবল দেওয়া হয়নি। সে কারণে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি বন্ধ রয়েছে। তবে সপ্তাহে দুই দিন গিয়ে মানুষজনকে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়। ভবন নির্মাণের পর একজন পাহারাদার দেওয়া হয়েছিল, আবার নিয়ে গেছে।’

এই কর্মকর্তা বলেন, ‘১০ শয্যাবিশিষ্ট ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটিতে জনবল দিলে স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারতাম আমরা। কিন্তু জনবলের অভাবে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি বেশির ভাগ সময় বন্ধ রাখতে হয়।’

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ