ছোট ছোট পায়ে টুক টুক করে হেঁটে বেড়ায় আপনার ছোট্ট সোনামণি। ওর আলতো দুটি পায়ের জুতা হওয়া চাই আরামের। আরামের সঙ্গে বিবেচনায় রাখতে হবে জীবাণু সংক্রমণের বিষয়টিও। বৃষ্টির কাদাপানিতে থাকে বিভিন্ন রকমের জীবাণু। শিশুর পায়ের ত্বক নরম থাকায় খুব সহজে জীবাণুর সংক্রমণ হয়। সে জন্য শিশুকে এমন ধরনের জুতা ব্যবহার করতে দিতে হবে, যেগুলো একই সঙ্গে পরতে আরাম, জীবাণু সংক্রমণ থেকে দূরে রাখবে এবং পিচ্ছিলতাজনিত পতন থেকে নিরাপদ রাখতে পারবে।
বর্ষাকালের জন্য শিশুকে গামবুট, রাবার লোফার, স্লিপার, স্যান্ডেল এগুলো কিনে দিতে পারেন। এর মধ্যে অবশ্য গামবুট বর্ষায় পরার জন্য খুবই উপযোগী। কারণ এগুলো সম্পূর্ণ রাবারের তৈরি ও নরম বলে শিশু পরে আরাম পাবে। এ ছাড়া এগুলো বৃষ্টির সময় রাস্তায় জমে থাকা পানি, কাদা থেকে শিশুর পা রক্ষা করবে।
জুতা বাছাই করবেন যেভাবে
জুতা কেনার সময় অবশ্যই শিশুকে সঙ্গে নিয়ে যান এবং পায়ে দিয়ে মাপজোক ঠিক আছে কি না তা দেখে তারপর কিনুন। শিশুর পায়ে জুতাটি আরাম লাগছে কি না জিজ্ঞেস করে নিন। জুতা পায়ের চেয়ে বড় বা ছোট হলে আপনার শিশু হেঁটে আরাম পাবে না। আবার হোঁচট খেয়ে পড়ে যাওয়ারও আশঙ্কা থাকবে।
স্থায়িত্ব
শিশুদের পা খুব দ্রুত বাড়তে থাকে। তাই আপনাকে কিছুদিন পরপরই নতুন জুতা কিনতে হতে পারে। এটি ভেবে জুতার মানের প্রতি অবহেলা করবেন না। বৃষ্টির দিনে পানি, কাদা লেগে জুতা খুব দ্রুতই নষ্ট হয়ে, ছিঁড়ে যায়। তাই আপনার শিশুর বর্ষাকালের জুতা কেনার আগে অবশ্যই জুতা ম্যাটেরিয়াল, সোল এগুলো ভালো করে দেখে কিনুন।
বর্ষায় জুতার যত্ন