হোম > ছাপা সংস্করণ

‘লস প্রজেক্ট’ থেকে লাভে যেতে চায় কুমিল্লা

প্রিন্স রাসেল, সিলেট থেকে

‘বিপিএলে এসেছি লস প্রজেক্ট থেকে মুনাফা আনতে’—কিছুদিন আগে আজকের পত্রিকাকে বলেছিলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের স্বত্বাধিকারী নাফিসা কামাল। বাংলাদেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের প্রথম নারী ক্রিকেট সংগঠক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্নের উত্তর তোলা থাকল ভবিষ্যতের হাতে। আপাতত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে তাঁদের প্রত্যাবর্তনের প্রক্রিয়াটা হয়েছে দারুণ। শিরোপা জয়ের লক্ষ্যেই দল গড়েছে দুবারের চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা। লক্ষ্য–বিপিএলের তৃতীয় শিরোপা ঘরে তোলা।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে গত মৌসুমে মাঠে গড়ায়নি বিপিএল। তাঁর আগের মৌসুমে বিপিএল হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থায়। সেখানে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের অংশগ্রহণের সুযোগ মেলেনি। এবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের দেওয়া ‘স্বল্প মেয়াদি’ চুক্তিতে তিনটি বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি যেখানে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, সেখানে বিপিএলে ফিরতে সানন্দ্যে রাজি হয়েছে দুবারের চ্যাম্পিয়নরা। ফেরাটা স্মরণীয় করে রাখতে কুমিল্লার আস্থার নাম হতে পারেন বিদেশি ক্রিকেটাররা।

দল গঠনে বিদেশি অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের অগ্রাধিকার দিয়েছে কুমিল্লা। খেলোয়াড় নিলামের আগেই তারা সরাসরি চুক্তি করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ব্যাটার ফাফ ডু প্লেসি, ক্যারিবীয় স্পিনার সুনিল নারাইন ও ইংলিশ অলরাউন্ডার মঈন আলীর সঙ্গে। তিনজনই গত দুই বছরে বিভিন্ন দেশে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলেছেন। এই অভিজ্ঞতা কারণেই কুমিল্লা দলে টেনেছে তাঁদের। দলটির সবচেয়ে বড় শক্তি বিদেশি এই তিন তারকাই।

এর বাইরে আছে শ্রীলঙ্কান ব্যাটার কুশল মেন্ডিস ও ক্যারিবীয় পেসার ওশান থমাস। বাংলাদেশ ক্রিকেটের যে পাঁচজন বড় তারকা আছেন, তাঁদের প্রতি আগ্রহ দেখায়নি কুমিল্লা। মূলত তরুণদের দিকেই ঝুঁকেছে দলটি। তবে পঞ্চপাণ্ডবের কেউ না থাকলেও জাতীয় দলের তিন তারকা লিটন দাস, মুমিনুল হক ও মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে দলটি এনেছে ভারসাম্য। ঘরোয়া ক্রিকেটে ঝড় তোলা পারভেজ হোসেন ইমনের উপস্থিতি কুমিল্লার শক্তিমত্তায় দিয়েছে বাড়তি জোর।

কুমিল্লার নেতৃত্বের জোয়াল থাকবে ইমরুল কায়েসের কাঁধে। ঘরোয়া ক্রিকেটের ছন্দ নিয়েই নতুন মিশন শুরু করবেন তিনি। তাঁর অধিনায়কত্বে শেষবার ২০১৮-১৯ মৌসুমের শিরোপা জিতেছিল কুমিল্লা। দলটির প্রথম সাফল্য আসে ২০১৫-১৬ মৌসুমে। এবার প্রত্যাবর্তনটা যে রাঙাতে চায় তারা, সেটা তাদের দল দেখলেই অনুমান করা যায়। ব্যাটার, বোলার ও অলরাউন্ডার—তিন জায়গাতেই খেলোয়াড়ের অভাব নেই তাদের। মোস্তাফিজ-আবু হায়দার ও থমাস আছে তাদের পেস বিভাগে। নারাইন, মঈন, মেহেদীদের নিয়ে গড়া কুমিল্লার স্পিন বিভাগও আশা জাগানিয়া।

ব্যাটিং বিভাগও যথেষ্ট শক্তিশালী তাদের। টপ অর্ডারে ঝড় তুলতে প্রস্তুত আছেন নারাইন, লিটন দাস, মেন্ডিস, মঈন আলি। ঘরোয়া ক্রিকেটের বেশ কজন তরুণ পারফর্মার আছেন দলটিতে। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেওয়ার সামর্থ্য আছে প্রত্যেকেরই। এসব ক্রিকেটারকে এক সুতোয় বাঁধার কাজটা করতে করবেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। এই কোচের অধীনেই শেষবার ট্রফি জিতেছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

কাগজ-কলমে এবারের টুর্নামেন্টে সেরা দলগুলোর একটি কুমিল্লা। মাঠের লড়াইয়েও এটির প্রতিফলন দেখাতে চায় তারা। কুমিল্লার কর্ণধার নাসিফা বলেছেন, ‘আমরা দল নিয়ে খুশি। আশা করছি ভালো কিছু করতে পারব। আমাদের লক্ষ্যই ছিল অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বিদেশি খেলোয়াড় নেওয়া। যাতে তাঁদের সঙ্গে তরুণদের ভালো একটা সমন্বয় হয়। আমার বিশ্বাস, তাঁরা ফ্র্যাঞ্চাইজি অভিজ্ঞতা সতীর্থদের সঙ্গে ভাগাভাগি করবেন এবং সেটা কাজে লাগাতে পারবেন।’

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ