ঈশ্বরগঞ্জে নিখোঁজের দুদিন পর ফরিদা আক্তার (৪৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ি থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে উপজেলার আঠারবাড়ি ইউনিয়নের একটি পুকুর থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ফরিদা আক্তার উপজেলার জাটিয়া ইউনিয়নের কুমারুল গ্রামের অটোরিকশাচালক দুলাল মিয়ার স্ত্রী।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আঠারবাড়ি ইউনিয়নের রেলস্টেশনের দক্ষিণ দিকে ওই নারীর মরদেহ একটি পুকুরে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে তা শনাক্ত করেন নিহত ওই নারীর মামা রাজ হোসেন।
এ বিষয়ে নিহত ফরিদা আক্তারের বড় ছেলে মো. সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘আম্মা মানসিক প্রতিবন্ধী ও মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন। গত ৩০ নভেম্বর হঠাৎ তিনি কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। পরে আমরা আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ আশপাশের এলাকায় অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁকে পাইনি। আগেও কয়েকবার বাড়ি থেকে এভাবে নিখোঁজ হয়ে ৪-৫ দিন পরও বাড়িতে ফিরেছে এসেছেন। ভেবেছিলাম প্রতিবারের মতো এইবারও বোধ হয় তিনি বাড়িতে ফিরে আসবেন।’
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, পরিবারের বর্ণনা ও লাশের সুরতহাল দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মৃগী রোগ উঠেই মৃত্যু হয়েছে ওই নারীর।
ওসি আরও বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে মমেক পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। এ ছাড়া পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।