তিতাস উপজেলার শিবপুর-লালপুর সড়কের বিভিন্ন অংশ ধসে গেছে। এতে সরু হয়ে গেছে সড়ক। এ অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে যান। সরু সড়কেও আগের মতো দ্রুতগতিতে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছে ব্যাটারি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা। আশঙ্কা করা হচ্ছে দুর্ঘটনার।
সড়কটি গৌরীপুর-হোমনা সড়কের শিবপুর স্টেশন থেকে শাহপুর, লালপুর হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দাউদকান্দির শহিদনগর স্টেশন পর্যন্ত গেছে। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে কয়েক শ সিএনজিচালিত অটোরিকশা।
এ ছাড়া দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজারে যানজটের সৃষ্টি হলে সড়কটি ব্যবহার করে হোমনা ও বাঞ্ছারামপুর এলাকার ঢাকামুখী যানবাহন। এতে ব্যস্ত সড়কটি দিয়ে চলাচল করতে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কায় থাকেন শিবপুর, শাহপুর ও লালপুর গ্রামের মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্ষার পানি কমতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে সড়কের শাহপুর অংশের মাটি ধসে পাশের জলাশয়ে পড়ছে। এলাকাবাসীর ধারণা, বৃষ্টির কারণে সড়কের মাটি নরম হয়ে গেছে। এ কারণে এ ধস।
এ ছাড়া সড়কটিতে ইট, বালু ও অন্যান্য মালবাহী ভারী যান চলাচল করছে। এতে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে।
লালপুর গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘শাহপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের বাড়ির সামনে থেকে লালপুর বাজার পর্যন্ত সড়কের অবস্থা খারাপ। সড়কটি আমাদের একমাত্র ভরসা। এ দিয়েই গ্রামের বাসিন্দাদের ইউনিয়ন অফিস, উপজেলা পরিষদ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও গৌরীপুর বাজারে যেতে হয়।’ শিগগির সড়কটি মেরামতের দাবি জানান তিনি।
শাহপুর গ্রামের স্বপন মিয়া বলেন, এ বছর অতিবৃষ্টি হয়েছে। এখন বর্ষার পানি কমতে শুরু করায় সড়কের অনেক স্থানে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যান চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে।
শিবপুর গ্রামের ফজলুল হক বলেন, ‘সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি শিগগির মেরামতের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।’
মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফারুক মিয়া সরকার বলেন, ‘বর্ষার পানি ও অতিবৃষ্টির কারণে সড়কের মাটি নরম হয়ে গেছে। এতে মালবাহী যান চলাচল করতে গিয়ে সড়কে ধস দেখা দিচ্ছে। সড়কের যেসব স্থানে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে, তা মেরামত করতে উপজেলা প্রকৌশলীকে জানিয়েছি।’
উপজেলা প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ‘সড়কটির কিছু অংশে ধসের খবর জেনেছি। মেরামত করে দেওয়ার জন্য ঠিকাদারকে বলেছি।’