ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞার সময়ে বাগেরহাটের ১২ হাজার জেলেকে খাদ্যসহায়তা দিয়েছে মৎস্য অধিদপ্তর। গত ৪ অক্টোবর থেকে গতকাল ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিনের জন্য ইলিশ আহরণ, বিপণন ও সংরক্ষণ নিষিদ্ধ ছিল। এ সময় জেলেদের কষ্ট লাঘবে সরকারের পক্ষ থেকে এই সহায়তা দেওয়া হয়।
এ ছাড়া ইলিশ আহরণ বন্ধে জেলা মৎস্য অধিদপ্তর নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করেছে। ৪ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর রাত পর্যন্ত জেলার ৯ উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদীতে ২৭৭টি অভিযান পরিচালনা করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। এই সময়ে ৪৭টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ১৩ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় ও ৯টি মামলা দিয়েছে মৎস্য অধিদপ্তর। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের ৩ লাখ ৩ হাজার ৭০০ মিটার জাল, ও ১৫ কেজি ৭০০ গ্রাম ইলিশ জব্দ করেছে মৎস্য অধিদপ্তর।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এ এক্স এম রাসেল বলেন, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের জন্য ইলিশ আহরণ, বিপণন ও সংরক্ষণ নিষিদ্ধ করা হয়। সরকার ঘোষিত এই নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মৎস্য অধিদপ্তর সক্রিয় ছিল। তারপরও কিছু অসাধু জেলে ও ব্যবসায়ী মৎস্য অধিদপ্তরের চোখ ফাঁকি দিয়ে ইলিশ আহরণের চেষ্টা করছে। যাঁরা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ আহরণের চেষ্টা করেছে তাঁদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।