হোম > ছাপা সংস্করণ

কমলা চাষে মিষ্টি লেবু মিয়ার জীবন

জসিম উদ্দিন, নীলফামারী

ব্যবসা, মাছ চাষসহ কত কিছুই না করেছেন; কিন্তু সফল হননি। অবশেষে বেসরকারি একটি উন্নয়ন সংস্থার পরামর্শে শুরু করেন চারা উৎপাদনের কাজ। এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি লেবু মিয়াকে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি তাঁর হাতে তৈরি হয়েছে অন্তত সাড়ে ছয় শ কৃষি উদ্যোক্তা। ২০১৩ সালে তিনি ভারতের দার্জিলিং থেকে দুটি সাদকি জাতের কমলার চারা সংগ্রহ করে রোপণ করেন। ওই চারা থেকে পর্যায়ক্রমে ৬০টি গাছ থেকে এখন পরিপূর্ণ ফল পেতে শুরু করেছেন। বর্তমানে তাঁর নার্সারিতে ১১০ প্রজাতির আমগাছ ছাড়াও রয়েছে ৬৮ প্রজাতির কমলা ও মাল্টার জাত। এ ছাড়া রয়েছে অ্যাভাকাডো, রামবুটান, ত্বীন, জয়তুন, চেরি, লংগানসহ দুর্লভ বিদেশি প্রজাতির গাছ ও চারা।

নীলফামারী সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নে হাইস্কুলপাড়ায় ২০০১ সালে লেবু মিয়া বাড়ির পাশে মাত্র এক বিঘা জমিতে শুরু করেন ছোট্ট একটি নার্সারি। নিজ সন্তানের নামে নার্সারির নাম দেন ‘এ আর মামুন নার্সারি’। সেটি এখন ছড়িয়েছে ২৫ বিঘা জমিতে।

প্রতিবেশী গোলাম মোস্তফা জানান, ‘একসময় লেবু মিয়ার আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না। অভাব ঘুচে সচ্ছলতা এসেছে তাঁর সংসারে। নার্সারির পাশে পাকা বাড়ি তৈরি করে থাকেন স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে। এক দিন টাকার অভাবে বড় ছেলে হারুন স্কুলে যেতে না পারলেও ছোট ছেলে মামুন পড়ছেন স্নাতকোত্তরে। নিজের ভাগ্য বদলের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে লেবু মিয়ার এই উদ্যোগ।’

লেবু মিয়া জানান, প্রতিবছর খরচ বাদে নার্সারি থেকে তাঁর আয় হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা। বর্তমানে নার্সারিতে প্রতিদিন ২০-২৫ জন শ্রমিক কাজ করেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, নীলফামারীর মাটি লেবুজাতীয় ফল চাষের জন্য উপযোগী। এখানে আবহাওয়া ও মাটি অনুকূলে থাকায় প্রচুর মাল্টা ও কমলার চাষ হয়। পুষ্টিঘাটতি পূরণের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করছে।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ