ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের সামনের ধাপগুলো যাতে অবাধ, সুষ্ঠু, সুন্দর এবং আরও ভালো হয়, সে জন্য বিভাগীয় কমিশনারদের ডেকে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সব বিভাগীয় কমিশনারকে ডেকে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিভাগীয় কমিশনারদের সঙ্গে সকাল ১০টা থেকে টানা ২ ঘণ্টা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইসির জনসংযোগ কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, সামনে অনুষ্ঠিতব্য ইউপি নির্বাচনগুলো আরও সুন্দর করতে ইসির পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যে কারণে
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ নানা বিষয়ে বিভিন্ন বিভাগের কমিশনারদের নিয়ে আলোচনায় বসে ইসি।
সংস্থাটির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, বৈঠকটি হঠাৎ করে ডাকা হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনারদের নিয়ে প্রত্যেক মাসে সমন্বয় সভা হয়। সে জন্যই তাঁরা ঢাকা এসেছেন। এর মধ্যে তাঁদের ডেকে কমিশন কিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছে। সামনের নির্বাচনগুলো যাতে আরও ভালো হয়, কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে এবং সে ক্ষেত্রে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়—এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা ছাড়াও নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম, ইসি সচিব মো. হুমায়ূন কবীর খোন্দকার, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ কে এম হুমায়ূন কবীর ও আইডিয়া প্রকল্প-২-এর প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কাশেম মো. ফজজুল কাদেরসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ৪ নভেম্বর সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার সব বিভাগীয় কমিশনার, উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক, পুলিশ কমিশনার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়ে অনলাইনে সভা করেছিল ইসি।
২১ জুন ও ২০ সেপ্টেম্বর প্রথম ধাপের ৩৬৯টি এবং ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে ৮৩৪টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তৃতীয় ধাপে ২৮ নভেম্বর ১০০৭টি ও চতুর্থ ধাপে ২৩ ডিসেম্বর ৮৪০টি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।