হোম > ছাপা সংস্করণ

চোখের জলে বিদায় সেই শিক্ষকের

মনিরামপুর ও অভয়নগর প্রতিনিধি

৩৫ বছর আগে ১৯৮৬ সালে যশোরের অভয়নগর উপজেলার ধোপাদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন মনিরামপুরের সত্যজিৎ বিশ্বাস। চাকরির শুরুতে প্রতিজ্ঞা ছিল কোনো দিন স্কুলে অনুপস্থিত থাকবেন না। কর্মস্থলে পৌঁছাবেন নির্ধারিত সময়ের আগে। সেই প্রতিজ্ঞা রেখেছেন সত্যজিৎ। শেষ কর্মদিবস পর্যন্ত একদিনের জন্যও তাঁর প্রতিজ্ঞা ভাঙেনি।

গত শনিবার ছিল সত্যজিৎ বিশ্বাসের শেষ কর্মদিবস। গতকাল রোববার দুপুরে স্কুল কর্তৃপক্ষ তাঁকে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিদায় জানান। এখন থেকে মন চাইলেও আর প্রিয় শিক্ষককে কাছে পাবে না শিক্ষার্থীরা। চোখের জলে তারা বিদায় দেয় প্রিয় শিক্ষককে।

স্কুল ছেড়ে থাকতে কেমন লাগবে জানতে চাইলে সত্যজিৎ বিশ্বাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ছাত্রজীবন কেটেছে বইখাতা নিয়ে। এরপর কর্মজীবনে পুরোটা সময় স্বপ্ন; সব ছিল ছাত্রছাত্রীদের ঘিরে। এখন তাদের ছেড়ে থাকতে খারাপ লাগবে। কচিকাঁচা মুখগুলোর অভাববোধ হবে সব সময়।’

তিনি বলেন, ‘ওনারা আমাকে মাঝেমধ্যে স্কুলে যেতে বলেছেন। আগামী ২১ তারিখ স্কুল খোলবে। আমি যাব। স্কুল ছেড়ে কীভাবে থাকব ভেবে পাচ্ছি না।’

সত্যজিৎ বিশ্বাস বলেন, ‘হরিদাসকাটির কুচলিয়া গ্রামে আমার বাড়ি। উপজেলার অন্য এলাকা দূরের কথা গ্রামের মানুষও ঠিকভাবে আমাকে চেনেন না। কারও সঙ্গে মিশতে পারব না। একাকী থাকতে হবে।’

ধোপাদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘করোনা ও ব্যস্ততার কারণে বেশি আয়োজন করা সম্ভব হয়নি।’

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ