সব ধরনের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা স্থায়ীভাবে বৃদ্ধিসহ চার দফা দাবি জানিয়েছে চাকরিপ্রত্যাশীরা। গতকাল বুধবার সকালে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এক সমাবেশ থেকে দাবিগুলো তুলে ধরেন তাঁরা। সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য পরিষদের ব্যানারে প্রায় পাঁচ শতাধিক চাকরিপ্রার্থী সমাবেশে অংশ নেন। চাকরিপ্রত্যাশীরা মিছিল নিয়ে জাতীয় জাদুঘর থেকে শাহবাগ মোড়ে যেতে চাইলে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়।
সমাবেশে উপস্থাপিত দাবিগুলো হচ্ছে, নিয়োগ দুর্নীতি ও জালিয়াতি বন্ধ করে নিয়োগ পরীক্ষার মার্কসহ ফলাফল প্রকাশ করা, চাকরিতে আবেদনের ফি সর্বোচ্চ ১০০ টাকা করা, সমন্বিত নিয়োগ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা।
এ সময় তাঁরা ‘আমাদের দাবি আমাদের দাবি, মানতে হবে মানতে হবে; শেখ হাসিনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই; এসো ভাই এসো বোন, গড়ে তুলি আন্দোলন’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া চাকরিপ্রত্যাশী তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের পরিবারের টাকায় চলতে হচ্ছে। চাকরির আশায় আমরা পড়াশোনা করে যাচ্ছি। অবিলম্বে ৪ দফা দাবি মেনে নেওয়া হোক।’
তারেকসহ সমাবেশে অংশ নেওয়া আরও কয়েকজন বলেন, ২০১১ সালের অবসরের বয়সসীমা ৫৭ থেকে ৫৯ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে ৬০ বছরে উন্নীত করা হয়। কিন্তু সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ১৯৯১ সালে যখন গড় আয়ু ৫৭ বছর ছিল, তখন শেষবারের মতো ২৭ থেকে ৩০ বছরে উন্নীত করা হয়। এই ৩০ বছরে গড় আয়ু ১৮ বছর বৃদ্ধি পেয়ে ৭৩ বছর হলেও বৃদ্ধি হয়নি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা। অথচ বিসিএস স্বাস্থ্য ও জুডিশিয়ারিসহ নানা ক্ষেত্রে সুযোগ ৩২ বছর।