চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল গত বৃহস্পতিবার। এ দিনে যশোরের মনিরামপুরে ১২ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিলেও আট ইউনিয়নে রয়ে গেছেন নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থীরা। আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীদের কাছে তাঁরা এখন গলার কাঁটা।
এ ছাড়া ছয় ইউপিতে রয়েছেন বিএনপি জামায়াতের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। যারা বিভিন্ন মেয়াদে আগে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে পাল্টে যেতে পারে এ উপজেলায় ভোটের হিসাব। বিভিন্ন ইউনিয়নে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় এমন তথ্য।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার রোহিতা ইউপিতে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান আবু আনছার। এ নিয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। গেল নির্বাচনে নৌকা পেলেও এবার দল মনোনয়ন দিয়েছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাফিজ উদ্দিনকে। মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র ভোট করছেন আবু আনছার।
তিনি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। এদিকে এ ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান। তিনিও শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী।
কাশিমনগর ইউপিতে নৌকার শক্ত বিদ্রোহী না থাকলেও বিএনপি জামায়াতের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক দুই চেয়ারম্যান এয়াকুব আলী ও মিজানুর রহমান রয়েছেন।
ভোজগাতী ইউপিতে যুবলীগ নেতা শরিফুল ইসলাম রিপন মনোনয়ন তুলে নিলেও রয়ে গেছেন শক্ত বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক।
হরিদাসকাটি ইউপিতেও আছেন শক্তিশালী বিদ্রোহী প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবীর লিটন।
মনিরামপুর সদর ইউপিতে নৌকার বিদ্রোহী না থাকলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন টানা দুই বারের চেয়ারম্যান থানা যুবদলের সম্পাদক নিস্তার ফারুক। এ ছাড়া এ ইউপিতে রয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী আহসান হাবিব লিটন।
এদিকে প্রতীক পেয়ে গত শুক্রবার থেকে প্রচারণায় নেমেছেন মনিরামপুরের ১৬টি ইউনিয়নের ৭৯ চেয়ারম্যান, ১৮২ সংরক্ষিত নারী ও ৬০৬ সাধারণ সদস্য (মেম্বর) প্রার্থী।