হোম > ছাপা সংস্করণ

জ্বালানি সংস্থানের সংকট: ঘটনা না দুর্ঘটনার ফল

মুহাম্মদ হাবিল উদ্দীন

জ্বালানি এমন পদার্থ নয় যে চাইলেই ভোগ্যপণ্যের মতো অল্প সময়ে উৎপাদন বা আমদানি করে ক্রেতার কাছে পৌঁছানো যাবে। এর অনুসন্ধান, আবিষ্কার, উৎপাদন, উত্তোলন, আমদানি, বিতরণ—প্রতিটি ক্ষেত্রেই দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ এবং কারিগরি সমন্বয়ের প্রয়োজন হয়।

ছোটকাল থেকে শুনে আসছি, বলেও আসছি—অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান মানুষের মৌলিক অধিকার। আর মৌলিক অধিকার প্রদান বা রক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। তবে মানবসভ্যতার প্রাথমিক উন্মেষ হিসেবে যে ঘটনা বা সময়কে স্বীকৃতি দেওয়া হয়, সেটা হলো, পাথরে পাথর ঘষে বন্য মানুষের আগুন জ্বালাতে শেখা এবং সেই আগুনে রান্না করা, শীতে বাতাস উত্তপ্ত করে নিজেকে রক্ষা করার কৌশল জানা-বোঝা। আধুনিককালে সেই আগুন শরীর ও স্বাস্থ্যের আরও প্রয়োজন মেটায়। তাই যেখান থেকে আগুনের উৎপত্তি হয়, সেই জ্বালানি প্রাপ্তিকেও বলা হচ্ছে, মানুষের অধিকার। কারণ অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের সংস্থান এবং প্রক্রিয়াকরণেও জ্বালানির জ্বলন আবশ্যিক। এখন তো আবার কোন দেশ কত উন্নত বা আয়েশি জীবনযাপনের আয়োজন কার কত আছে, সেটাও এই জ্বালানি পোড়ানোর পরিমাণে মাপা হচ্ছে।

আদিমকালে জ্বালানি ছিল পাথরে পাথরের ঘর্ষণ। এরপর খড়কুটো, কাঠ, সূর্যরশ্মি। তারপর কয়লা, তেল, গ্যাস, জল, বায়ু এবং ইউরেনিয়াম। আর সূর্য জ্বালানির চিরন্তন আধার।

উল্লেখ্য, বিদ্যুতের ব্যবহারকে সভ্যতার যে স্মারক রূপে ধরা হয়, হাল আমলের জল আর বায়ুবিদ্যুৎ বাদ দিলে বিদ্যুৎ তৈরিতে যে উত্তাপের প্রয়োজন, সেই আগুনের উৎস বা কাঁচামাল ওই জ্বালানিই। বিদ্যুৎ হচ্ছে শক্তি এবং জ্বালানির রূপান্তরেই উৎপাদিত হচ্ছে ব্যক্তির ব্যবহার্য বিদ্যুৎ।

এই ভূমিকার কারণ, আমাদের দেশে জ্বালানির অবস্থান, অবস্থা, আবশ্যিকতা ও গন্তব্য সম্পর্কে জানা। আমাদের ভূমিতে কী কী জ্বালানি ছিল বা আছে, আগে সে কথায় আসা যেতে পারে। খড়কুটো বা কাঠের কথায় এগোব না। কারণ, এটা প্রিমিটিভ ফুয়েল, যা প্রায় দেশেই আছে। পরিমাণের দিক দিয়ে যদিও এই জ্বালানি এখনো তৃতীয় বিশ্বে এবং আমাদের দেশে বেশি ব্যবহৃত; কিন্তু আধুনিক জীবনের আরও যেসব প্রয়োজন, উপকরণ, তা ওই জ্বালানি ব্যবহারে উপযোগী নয়।

দেশে প্রথম পাওয়া গিয়েছিল (আবিষ্কারে) কয়লা, এরপর গ্যাস (মিথেন বা প্রাকৃতিক গ্যাস)। দুটোই গত শতকের ষাটের দশকের প্রথম ভাগে। তেল সেভাবে পাওয়া যায়নি; যদিও আশির দশকের শেষ দিকে সিলেটে সিমিটার কোম্পানির অন্বেষণে অল্পস্বল্প তেলপ্রাপ্তির ইঙ্গিতের খবর প্রচারে তেলেসমাতি শুরু হয়েছিল, কিন্তু পরে বিস্তারিত কারিগরি তথ্য বা বহু ব্যারেল তেল তোলার সংবাদ শোনা যায়নি; বরং সিমিটার দুর্নীতি নিয়ে বড়সড় খবর ও তদন্ত হয়েছিল।

অন্যদিকে, বাসাবাড়ি আর গাড়িতে এখন যে এলপিজির ব্যবহার বাড়ছে, সেই এলপিজি আসলে তেল পরিশোধনকালে উপজাত হিসেবে বেরোয়, যা সত্তর দশক থেকে ইস্টার্ন রিফাইনারির আরেকটা প্ল্যান্টে বোটলিং করে বাজারজাত করা হতে থাকে। অনেক পরে, প্রায় এক যুগ আগে গ্যাস-সংকট তীব্র হলে বেসরকারি খাত বিদেশ থেকে এলপিজি আমদানি করে সারা দেশে বাজারজাত করছে খুচরা পর্যায়ে জনপ্রিয় জ্বালানি হিসেবে।

কয়লা ও গ্যাস আবিষ্কারের পর কয়লার চেয়ে ক্লিন এনার্জি এবং সস্তায় সহজ ব্যবহার্য হওয়ায় কয়লার আগে গ্যাস উত্তোলন ও ব্যবহার শুরু হয়েছিল ষাটের দশকের দ্বিতীয় ভাগ থেকে। তিতাস নদের তীরে গ্যাসক্ষেত্র হওয়ায় উত্তোলন ও বিতরণকারী কোম্পানির নাম হলো তিতাস গ্যাস এবং গ্যাসের নামও দাঁড়িয়ে গেল ‘তিতাস গ্যাস’; আজ যেমন গ্যাসের নামেই গাড়ির নাম হয়েছে ‘সিএনজি’। তিতাসের পর ষাটের দশকের শেষ ভাগে আরেকটি বড় কিন্তু তিতাসের চেয়ে ছোট ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় কুমিল্লার বাখরাবাদে।

বাখরাবাদ থেকে উৎপাদন শুরু হয়েছিল আশির দশকের শুরুর দিকে। ওই গ্যাস বিতরণের জন্য তখন ২৪ ইঞ্চি ব্যাসের পাইপলাইন বসানো হয়েছিল ঢাকা ও চট্টগ্রাম দুই দিকেই। এভাবে প্রতি দশকেই স্থলভাগে ছোট ও মাঝারি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয়েছে এবং নব্বইয়ের দশকের শেষে অক্সিডেন্টাল কোম্পানির আবিষ্কৃত বিবিয়ানা গ্যাস মজুতের সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র, যেখান থেকে বর্তমানে মোট সরবরাহের প্রায় ৪০ শতাংশ আসছে।

কিন্তু বাখরাবাদের জীবনচক্রের ঘটনা কী দাঁড়াল? তথ্য রটে ছিল, তিতাসের মতো এখানেও অনেক গ্যাস আছে। কিন্তু তিতাস উৎপাদনে আসার ১৬ বছর পর যে বাখরাবাদকে উৎপাদনে আনা হলো, এক যুগ না পেরোতেই শোনা গেল উপাত্ত এবং উৎপাদন ব্যবস্থাপনার গরমিলের কারণে বাখরাবাদের গ্যাস কমছে, আগের মতো আর উঠছে না। কমতে কমতে এখন তো ওখানকার গ্যাস নাকি প্রায় নিঃশেষের পথে। অথচ তিতাসের গ্যাস কিন্তু এখনো আছে, আর বাখরাবাদের সেই ২৪ ইঞ্চির লাইন দিয়ে তিতাসের গ্যাস উল্টো পুবের পথে যাচ্ছে। অথচ আমাদের দেশে জনশ্রুতি ছিল, বাংলাদেশ গ্যাসের ওপর ভাসছে। এমনকি ২০০২ সালে অর্থমন্ত্রীও বলেছিলেন, মাটির নিচে গ্যাস ফেলে রেখে লাভ কী!

বাখরাবাদের গ্যাস কমতিতে চট্টগ্রামে শিল্প থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্র যখন গ্যাস ঘাটতিতে সংকটের পথে, সে সময় সমুদ্র উপকূলে সাঙ্গু  নদীর মোহনার দূরে গ্যাস আবিষ্কার করল কোয়ার্ন এনার্জি। চুক্তি অনুযায়ী, মেজরিটি শেয়ারহোল্ডার কোয়ার্ন। সুতরাং, গ্যাস উত্তোলন ও বিক্রির পলিসির নিয়ন্ত্রকও তারা। বেসরকারি বিনিয়োগ—ব্যবসায়ীরা দ্রুত মুনাফাসহ বিনিয়োগ তুলে নিতে চান। অল্প সময়ে অধিক অর্থ অর্জনের আশায় কোয়ার্নও স্বাভাবিক মাত্রার বেশি গ্যাস তুলতে থাকল। পেট্রোবাংলার প্রকৌশলীরা বাদ সাধলেন গ্যাসক্ষেত্রের অভ্যন্তরীণ স্বাভাবিক স্ট্রাকচার নষ্টের আশঙ্কায়। কোয়ার্ন ধৈর্য ধরেনি। আয়ের নেশায় দ্রুত গ্যাস উত্তোলন করতে গিয়ে গ্যাসক্ষেত্রের প্রাক্কলিত আয়ু অস্বাভাবিকভাবে শেষ হয়ে গ্যাসের বদলে উঠতে থাকে বালি। স্বাভাবিক জীবনকালের আগেই বন্ধ হলো সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র।

এসব অপ্রত্যাশিত অবস্থায় নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে সরকারের বাইরের জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনোযোগ দিতে পরামর্শ দিতে থাকলেন। কয়েকজন বিখ্যাত ভূতত্ত্ববিদ পাবনা, দিনাজপুর, মেঘনা মোহনা এবং সর্বোপরি সুরমা-মেঘনার পূর্ব পারের মতো পশ্চিম পারের অববাহিকায়ও গ্যাসপ্রাপ্তির ভালো সম্ভাবনার ধারণা প্রকাশ করলেন। কিন্তু সেসব অঞ্চলে তেমন নিবিড়ভাবে জরিপ চালানো এবং অনুসন্ধান কূপ খনন করার খবরও চোখে পড়ল না, জানা গেল না। সুরমা-মেঘনাঘেঁষা পশ্চিম পাশে নেত্রকোনায় বাপেক্স কিছুদিন জরিপ ও অনুসন্ধান চালিয়েছিল; তবে ফলাফল নাকি নৈরাশ্যজনক। অথচ এর ঠিক বিপরীতেই সেই সুরমা-মেঘনার পূর্ব পাশে অক্সিডেন্টাল আবিষ্কার করেছে দেশের সর্ববৃহৎ গ্যাসভান্ডার বিবিয়ানা।

আশির দশক থেকেই সুরমা-মেঘনা অববাহিকার অন্যান্য এলাকায় কিছু গ্যাসক্ষেত্র পাওয়া গেছে; তবে এগুলো ছোট এবং মজুতও অল্প। আমরা যদি দেখি অর্থনৈতিক আকার যে হারে বেড়েছে, মানুষের ভোগ এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার তার চেয়ে বেশি হারে বেড়েছে, কিন্তু আবিষ্কার বা উত্তোলন সে গতিতে আসেনি। অনেক দিন ধরেই সতর্ক সুর বাজছে খরচের জন্য বেশি বছরের গ্যাস আমাদের মজুত নেই। অনাবিষ্কৃত অঞ্চলে আন্তরিকভাবে অনুসন্ধান করে গ্যাস না পাওয়া গেলে, আবিষ্কৃত কয়লা উত্তোলন না বাড়ালে বিপদে পড়তে হবে। খাদ্যের মতোই জ্বালানির বিদেশনির্ভরতা ঝুঁকিপূর্ণ। তবে দেখা গেল, বিদ্যুৎসংকটের ব্যাপারে মনোযোগটা বেশি দিয়ে বেসরকারি কোম্পানির ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ নীতি করা হলো আর বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাঁচামাল সেই জীবাশ্ম জ্বালানির বিষয়ে বিদেশমুখী হয়ে এলএনজির সন্ধান শুরু হলো।

অন্যদিকে, কয়লার ক্ষেত্রে বড়পুকুরিয়ার মতো ছোট খনি ছাড়া, ফুলবাড়ীয়া, জামালগঞ্জ এবং খালাসপীরের কয়লা উত্তোলনের দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যায়নি; পরিকল্পনার কথাও শোনা যায়নি। অবশ্য ফুলবাড়ীয়া খনির আবিষ্কারক বিদেশি কোম্পানি এবং কোন পদ্ধতিতে কয়লা তোলা হবে, তা নিয়ে কয়েকটা বছর শুধু বিতর্ক শোনা গেছে।

এমনকি, এলাকায় রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক অনেক আন্দোলন, সংঘর্ষও ঘটেছে। কিন্তু কত বছর গেল, উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এটা ঠিক যে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ব্যবসা করতে কারিগরি জ্ঞান, প্রযুক্তির পাশাপাশি বৃহৎ পুঁজির বড় কোম্পানি লাগে এবং বৃহৎ দেশের বড় বড় কোম্পানিই এসব ব্যবসা করে।

বৃহৎ কোম্পানির সঙ্গে বড় বড় ব্যক্তির সম্পর্ক এবং সরকারের সান্নিধ্যেও তারা থাকে। ছোট দেশে যদি প্রাকৃতিক সম্পদ অল্পস্বল্পও থাকে, বড় দেশের বড় কোম্পানিরা ব্যবসা করতে আসে পুঁজির পাশাপাশি সরকারি সমর্থন ও সহযোগিতার আশীর্বাদ নিয়ে। অনেক কিছু ভেবেও অনেক কিছুই হয়তো করা সম্ভব হয় না।

গ্যাস ও কয়লার দেখভাল নিয়ে শুরু থেকেই পেট্রোবাংলা আছে। এই ৫০ বছরে কি আমাদের চোখে পড়েছে জ্বালানির অনুসন্ধান, আবিষ্কার, উত্তোলন, উৎপাদন ব্যবস্থাপনায় স্বনির্ভরতা অর্জনে মূলধন বৃদ্ধি, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও কর্মীর দক্ষতা, প্রশিক্ষণ ও রিটেনশনে বাজেট থেকে ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগ করা হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে তো বিদেশি-সরকার, বহু দেশিও অর্থলগ্নিকারী সংস্থা ঋণ দেবে না। আমরা তো বঙ্গবন্ধু সেতুর জন্য বিভিন্ন সারচার্জ বসিয়ে এবং পদ্মা সেতুর জন্য বাজেট থেকে অর্থ সংস্থান করতে পেরেছি। স্থানীয় সরকারের রাস্তাঘাটে এখানে-সেখানে প্রচুর অর্থ দিয়েছি। কিন্তু সেই রাস্তা ও নদী পাড়ি দিতে তো স্টিমার আর গাড়িতে জ্বালানি লাগে, সেদিকে কি তত তদবির করেছি। ষাটের দশকের শেষ দিকে ইস্টার্ন রিফাইনারি তৈরি হয়েছে, ছাত্রাবস্থা থেকে শুনছি–আরেকটা রিফাইনারি দরকার বিদেশনির্ভরতা কমাতে। আপৎকালীন মজুতের বাফার স্টোরেজ দরকার। এত তেল সাগর পার হলো, কিন্তু দ্বিতীয় সেই রিফাইনারির ইট বা মেশিন এখনো মাথা তোলেনি। আবার রিফাইনারির ছোট এলপিজি প্ল্যান্ট লাভজনকভাবে চলার পরও সরকারি সেক্টরে তিন দশকেও এলপিজির আরেকটা ইনডিপেনডেন্ট প্ল্যান্ট করা হয়নি। এটা করে বিতরণ বাজারজাতকরণের অংশটুকু না হয় প্রাইভেট সেক্টরকেই দেওয়া হতো। আবার পেট্রোবাংলার যতগুলো কোম্পানি আছে—এর মধ্যে গ্যাস অনুসন্ধান, আবিষ্কারে বাপেক্সকে বাণিজ্যিক ব্যানারে বা ব্র্যান্ডে বলা যায় ব্যাক-বেঞ্চার কোম্পানি।

আমরা কি এ-ও কখনো শুনেছি যে আমাদের জ্বালানির সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় কারিগরি ও আর্থিক পেশাজীবীদের সমন্বয়ে স্ট্র্যাটেজিক ও ডেডিকেটেড স্থায়ী টিম আছে? এসব ক্ষেত্রে বিদেশে যাঁরা ভালো করছেন, তাঁদের ডেকে দেশে যোগ্য আসন দিয়ে কাজে লাগিয়েছি? বরং প্রাজ্ঞ ও দক্ষ যাঁরা ছিলেন, পজিশন ও বেতন-ভাতার নিম্নতার কষ্টে চাকরি ছেড়ে অন্যত্র গেছেন এবং ভালো পারফর্ম করছেন। আসলে সরকারি চাকরির যে কর্মপরিবেশ, কাঠামো, পদোন্নতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া তাতে এ ধরনের লক্ষ্যে পৌঁছা দুরূহ। এখানে বিশেষজ্ঞ বা পেশাদারদের চেয়ে সুবিধা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অন্যরা সামনে থাকে। পদোন্নতি ও পদায়নের যে বৃত্ত, তা ৫০ বছরেরও আগে তৈরি এবং তা-ই বিদ্যমান। বৃত্ত আর তথাকথিত পদ্ধতির বাইরে দু-একজন বা কয়েকজনের ভিন্ন কিছু করা বড়ই কঠিন।

জ্বালানি এমন পদার্থ নয় যে চাইলেই ভোগ্যপণ্যের মতো অল্প সময়ে উৎপাদন বা আমদানি করে ক্রেতার কাছে পৌঁছানো যাবে। এর অনুসন্ধান, আবিষ্কার, উৎপাদন, উত্তোলন, আমদানি, বিতরণ—প্রতিটি ক্ষেত্রেই দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ এবং কারিগরি সমন্বয়ের প্রয়োজন হয়। প্রয়োজন দূরদর্শী পরিকল্পনা এবং ধৈর্য ধরে দৃঢ়চিত্তে তার বাস্তবায়ন। এখনকার পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এ প্রত্যাশা করা কি যায় না, ভবিষ্যতের প্রস্তুতি হয়তো সেভাবেই নেওয়া হবে?

লেখক: মুহাম্মদ হাবিল উদ্দীন, প্রকৌশলী ও ব্যাংকার (অবসরপ্রাপ্ত)

রোজা রেখে সুগন্ধি ব্যবহার করা যাবে কি?

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে