রাজধানীর প্রগতি সরণিতে চলাচলকারী রাইদা পরিবহনের একটি বাসে গতকাল সোমবার অর্ধেক ভাড়া দিতে চাওয়ায় এক শিক্ষার্থীকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বাস থেকে নামিয়ে দেন বাসচালকের সহকারী। পরে রাইদা পরিবহনের ৫০টির বেশি বাস আটকে দেন শিক্ষার্থীরা। পরে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নিতে রাজি হন রাইদা পরিবহনের মালিকপক্ষের নেতা শাহিন।
শিক্ষার্থীরা পরিচয়পত্র দেখালে তাঁদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার বিষয়টি রাইদা কর্তৃপক্ষ মেনে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন রামপুরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম। তিনি জানান, সমঝোতা বৈঠকে শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, ঢাকা শহরের যেকোনো প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তাঁদের পরিচয়পত্র দেখালে হাফ ভাড়া নিতে হবে। এ ছাড়া প্রতিটি বাসে নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৯টি আসনে কোনোভাবেই পুরুষ বসতে পারবেন না। শিক্ষার্থীদের এসব দাবি রাইদা পরিবহন কর্তৃপক্ষ মেনে নিয়েছে।
রামপুরায় বিটিভি ভবনের সামনে রাইদা পরিবহনের একটি বাসে চালকের সহকারী গতকাল দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা ইম্পিরিয়াল কলেজের এক শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করেন। এ ঘটনার পরই পরিবহনের বাস আটকে দেন ওই কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় সড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ গিয়ে শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।