নীরব ঘাতক শব্দদূষণ বন্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মানুষের শ্রবণযোগ্য সহনীয় শব্দের মাত্রা ৭৫ ডেসিবেল হলেও দেশের সিটি করপোরেশন এলাকায় শ্রবণ অযোগ্য ১৩০ ডেসিবেল পর্যন্ত মাত্রার শব্দদূষণ পাওয়া গেছে।
এতে মানুষ হৃদ্রোগ, অস্থিরতা ও ডায়াবেটিসসহ ৩০টিরও অধিক রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। এ ছাড়া গর্ভবতী নারীর গর্ভপাত এবং শিশুদের নানা সমস্যাসহ স্থায়ীভাবে বধির হয়ে যেতে পারে। দিনাজপুরে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারত্বমূলক প্রকল্পের আওতায় সাংবাদিক, পরিবহন চালক ও শ্রমিকদের সচেতনতামূলক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তারা উপরোক্ত মন্তব্য করেন।
গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় দিনাজপুর শিশু একাডেমি মিলনায়তনে পরিবেশ অধিদপ্তর আয়োজিত কর্মশালায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক শরিফুল আলমের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. হুমায়ুন কবীর।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুছ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জয়নুল আবেদীন, এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা. মো. মোমেনুল হক, পরিবেশ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান।