গাইবান্ধা সদর উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের মথুরাপুর বাজার থেকে নাকাই ইউনিয়নের শিমুলতলি বাজার হয়ে পাকড়িভিটা পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা খানাখন্দে ভরা। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি বেহাল অবস্থায় থাকলেও যেন দেখার কেউ নেই।
জানা যায়, ইচ্ছা করলেই এখন আর চট করে উপজেলার এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়া সম্ভব হয় না। বেশি ভাড়া দিলেও রাজি হতে চান না রিকশা কিংবা সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকেরা। বৃষ্টির দিন হলে তো কথাই নেই।
অটোরিকশাচালক অজয় কুমার সরকার (২৮) বলেন, ‘এই রাস্তায় একটা না একটা অঘটন ঘটবই। বেশি টাকা না পাইলে এ রাস্তায় টিপ দিই না। অথচ এই পথের দূরত্ব দুই থেকে আড়াই কিলোমিটারের বেশি হবে না।’
তেঁতুলতলি বাজারের পল্লিচিকিৎসক সুজন কুমার সরকার বলেন, ‘এ এলাকার সব রাস্তাঘাটের দুরবস্থা। তার মধ্যে, বিশেষ করে বুড়িভিটা থেকে তেঁতুলতলি বাজার হয়ে ধুন্দিয়া পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার ও তেঁতুলতলি বাজার থেকে বটতলা ইলিয়াসের ঘাট পর্যন্ত প্রায় এক কিমি এবং এ বাজার থেকে ত্রিমোহিনী পর্যন্ত দুই কিলোমিটার কাঁচা রাস্তার বেহালদশা। এসব রাস্তায় যানবাহন চলাচল তো দূরেই থাক, পায়ে হেঁটে যাওয়াই কষ্টকর।’
সোনাইডাঙ্গা নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হাবিজার রহমান বলেন, ‘এই গুরুত্বপূর্ণ পৃথক রাস্তা তিনটি দিয়ে দলদলিয়া, তেঁতুলতলি, রামনগর ত্রিমোহিনী, ধুনদিয়া, সোনাইডাঙ্গা, তালুক সোনাইডাঙ্গা, নাওভাঙ্গা, হরিরামপুর, হাজির বাজারসহ প্রায় ১০ গ্রামের মানুষ চলাচল করে। রাস্তাগুলো সংস্কার না করায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ বেড়েছে।’
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী সরকার সাজু বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘বৃষ্টি হলে এসব রাস্তায় আরও ভোগান্তি বেড়ে যায়। রাস্তাগুলো সংস্কারের জন্য তালিকা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া মাত্রই কাজ শুরু করা হবে।’