হোম > ছাপা সংস্করণ

এলমাকে মারধরের কথা স্বীকার করেছেন স্বামী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সন্দেহের বশে স্ত্রী এলমা চৌধুরী মেঘলাকে মারধর করেছিলেন বলে স্বীকার করেছেন ইফতেখার আবেদীন। তবে হত্যার উদ্দেশ্যে স্ত্রীকে মারধর করেননি বলে দাবি করেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের ছাত্রী এলমা হত্যা মামলায় তিন দিনের রিমান্ডে তাঁর স্বামী ইফতেখার এসব তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। রিমান্ড শেষে ইফতেখারকে আজ রোববার আদালতে হাজির করা হবে।রিমান্ডে ইফতেখারের দেওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে বনানী থানার ওসি নূরে আযম মিয়া আজকের পত্রিকাকে জানান, বিয়ের পর থেকেই ইফতেখার সন্দেহ করতেন, এলমার প্রেমিক আছে।

সন্দেহের বশেই তিনি এলমাকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতেন। কারও সঙ্গে তাঁকে যোগাযোগ করতে দিতেন না। এমনকি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও এলমাকে দেখা করতে নিষেধ করতেন ইফতেখার।

ওসি নূরে আযম মিয়া আরও জানান, রিমান্ডে ইফতেখার স্বীকার করেছেন, তিনি এলমাকে মারধর করেছেন। কিন্তু তিনি স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করেননি বলেও দাবি করেন।

এদিকে এলমা হত্যা মামলার অন্য দুই আসামি এলমার শ্বশুর ও শাশুড়ি এখনো পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিয়ের কিছুদিন পরই স্ত্রীকে রেখে কানাডায় যান ইফতেখার। তখন থেকেই সন্দেহের শুরু। আট মাস পর দেশে ফিরে গত মঙ্গলবার এলমাকে পিটিয়ে হত্যা করেন তিনি। সেদিন রাতেই ইফতেখার ও তাঁর বাবা-মাকে আসামি করে বনানী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে এলমার পরিবার।

এলমার সুরতহাল প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘এলমার ওপরের ঠোঁটে কালচে জখম, নাকে আঘাতের চিহ্ন ও কালচে শিরা জখম রয়েছে। এ ছাড়া ঘাড়ে লম্বালম্বি কালচে জখম, গলার উপরিভাগে, থুতনিতে, পিঠের ডান পাশে, বাম পায়ের বুড়ো আঙুলে কালচে জখম। দুই পায়ের হাঁটুর নিচেও জখমের চিহ্ন রয়েছে।’

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ