খিলক্ষেতের মুদি দোকানি ইউসুব আলী ছেলেকে কথা দিয়েছিলেন, স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষায় ভালো ফল করলে আহসান মঞ্জিল দেখাতে নিয়ে যাবেন।
গতকাল ছেলেকে নিয়ে আহসান মঞ্জিলের টিকিট কাউন্টারে গিয়ে জানতে পারেন, সেখানে টিকিট বিক্রি হয় না। ভেতরে প্রবেশ করতে হলে তাঁকে অনলাইনে টিকিট কাটতে হবে। সেখানে একটি ব্যানারে ওয়েবসাইট থেকে টিকিট কেনার নির্দেশনা দেওয়া আছে। কিন্তু ইউসুব আলীর কাছে যে মোবাইল তাতে ইন্টারনেট সংযোগ নেই। আশপাশে কোনো কম্পিউটারের দোকানও নেই। কিন্তু ছেলেকে দেওয়া কথা অনুযায়ী আহসান মঞ্জিল না দেখাতে পারা তাঁর জন্য খুবই কষ্টের হবে। তাই হন্যে হয়ে খুঁজছেন টিকিট।
এ সময় পাশ থেকে একজন জানান, ১০০ টাকা দিলে একটি টিকিটের ব্যবস্থা হবে। তার সঙ্গে অনেক কথা বলেও কোনো কাজ না হওয়ায় অগত্যা ২০০ টাকা দিয়ে দুটি টিকিট নেন।
আহসান মঞ্জিলের ডেপুটি কিপার সিরাজুল ইসলাম জানান, গত ২৩ আগস্ট ৫০০ টিকিট দেওয়ার মাধ্যমে অনলাইন টিকিট চালু হয়েছে। কিন্তু ৫০০ টিকিট দিয়ে দর্শনার্থীর চাপ সামলানো যাচ্ছিল না। পরবর্তী সময়ে ১ নভেম্বর থেকে ১ হাজার টিকিট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আহসান মঞ্জিলের ডেপুটি কিপার সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিনই এ বিষয়ে অভিযোগ আসছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। কিছুদিন আগে একজনকে আটক করা হয়েছিল। তবে জাদুঘরের বাইরে যা ঘটছে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার তাঁর নেই জানিয়ে এই কর্মকর্তা বলেন, বিষয়টি থানায় লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।