কক্সবাজারের চকরিয়ায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত নেতারা চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেতে তদবির চালাচ্ছেন।
জানা গেছে, ২০১৬ সালে ইউপি নির্বাচনে সুরাজপুর-মানিকপুর থেকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় রুস্তম শাহরিয়ারকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তিনি এবার নৌকা প্রতীক পেতে মাঠে নেমেছেন।
বরইতলী ইউপিতে নৌকা প্রতীক পেতে তদবির চালাচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম। গত ইউপি নির্বাচনে তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে দল থেকে বহিষ্কার হন।
খুটাখালীতে গত ইউপি নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে বহিষ্কার হন জয়নাল আবেদীন। তিনি এবার নৌকা পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।
বমুবিলছড়িতে কফিল উদ্দিন নৌকা পেতে চাইছেন। তিনি গত ইউপি নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে বহিষ্কার হয়েছিলেন।
হারবাং ইউপিতে বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মিরানুল ইসলাম মিরান নৌকা প্রতীক পেতে চাইছেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের অভিযোগ, বর্তমান চেয়ারম্যান মিরান বিভিন্ন কাজে এলাকায় বিতর্কিত। এ বিষয়ে মিরানুল ইসলাম মিরান কোনো মন্তব্য করেননি।
রুস্তম শাহরিয়ার, জয়নাল আবেদীন, নজরুল ইসলাম ও কফিল উদ্দিন নিজেদের বহিষ্কারের কথা অস্বীকার করেন। তাঁরা বলেন, বহিষ্কারের কোনো চিঠি তাঁদের কাছে পৌঁছায়নি। দলের উপজেলা কমিটির সব কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছেন তাঁরা। ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তাঁদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে তাঁরা অভিযোগ করেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী বলেন, সবার মতামত নিয়ে তালিকা করে জেলায় পাঠানো হয়েছে। যাঁরা গত ইউপি নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন, তাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অবশ্যই মনোনয়ন বোর্ড যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেবে।