করোনার কারণে মাঝে বন্ধ থাকলেও ফের ২৪ ঘণ্টা চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দরের সেবা কার্যক্রম। দুই দেশের এই সিদ্ধান্ত এরই মধ্যে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সীমান্তের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে এখন থেকে চলবে পণ্য পরিবহন ও যাত্রী পারাপার এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ এই স্থলবন্দরে।
কিন্তু কেবল ঘোষণায় খুশি নন আমদানি-রপ্তানিকারকরা। তাঁরা চান সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছা। সেই সঙ্গে পরিকাঠামোর উন্নয়নেও গুরুত্বারোপ করেছেন তাঁরা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, করোনা পরিস্থিতির আগেও খাতা-কলমে ২৪ ঘণ্টা খোলা ছিল সীমান্ত। কিন্তু কাজের কাজ হয়নি। ওই রাতভর জিরো পয়েন্টে গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকত। এতে হয়রানিই বাড়ত উভয় দেশের আমদানি-রপ্তানিকারকদের।
পেট্রাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, ঠান্ডাঘরে বসে নির্দেশনা জারি করে লাভ নেই।
প্রয়োজন নির্দেশনা পালন করা। কিন্তু সেটারই বড় অভাব। তিনি জানান, এক সময়ে পরিকাঠামো দুর্বল থাকলেও ৫৫০-৬০০ গাড়ি ভারত থেকে রপ্তানি হতো। এখন উন্নত প্রযুক্তি কাজে লাগিয়েও ২০০-২৫০-এর বেশি ট্রাক রপ্তানি হয় না।
কার্তিকের আরও অভিযোগ, উভয় পারেই লরি রাখার জায়গার বড় অভাব। ভারতীয় স্থল বন্দরেরও পরিকাঠামো প্রয়োজনের তুলনায় নেই। জিনিসের চাহিদা উভয় পারে বাড়লেও পরিকাঠামোর অভাবে সীমান্তে মাল লোডিং-আনলোডিংয়ে সমস্যা হচ্ছে।
এদিকে, করোনা-পরবর্তী সময়ে যাত্রী পরিবহন এখনো শুরু হয়নি। ভারত আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে ট্যুরিস্ট ভিসা দেওয়ার কথা বললেও বাংলাদেশ মিশন থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। তবে অসমর্থিত সূত্রের খবর, ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশও ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করতে পারে।