বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে গতকাল সকাল থেকেই ঝিনাইদহে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। দিনভর দেখা মেলেনি সূর্যের।
দিনভর বৃষ্টিতে বিপাকে পড়েন খেটে খাওয়া মানুষ। বৃষ্টি উপেক্ষা করে কাজে বের হতে হয় তাঁদের। এদিকে সাপ্তাহিক হাটের দিন হলেও বৃষ্টির কারণে ক্রেতা কম থাকায় ব্যবসায়ীদের অলস সময় কাটাতে দেখা গেছে। বৃষ্টি হলেও এদিন স্বাভাবিক ছিল দিনের তাপমাত্রা।
সকালে ঝিনাইদহের হাটখোলায় বাজার করতে আসা সাবিব হোসেন জানান, কেমন বৃষ্টি শুরু হলো, থামছেই না। বাজার করতে এসে এখনতো বৃষ্টিতে নাজেহাল হতে হয়। কাদায় ঠিকমতো বাজার করতে পারিনি।
সবজি বিক্রেতা জোয়ারদার বিশ্বাস জানান, আজকে সাপ্তাহিক হাটের দিন হলেও ক্রেতার সংখ্যা অনেক কম। তাই বেচাকেনা তেমন একটা নেই। বসেই সময় পার করার মতোই অবস্থা।
সদর উপজেলার হাটগোপালপুর এলাকার কৃষক তরিকুল মিয়া জানান, মাঠে এখনো ধান রয়েছে। অনেক ধান আবার কেটে মাঠে রেখে দিয়েছেন। বৃষ্টিতে অনেক ধান নষ্ট হয়ে যাবে। এতে তাঁদের অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে।
ওই এলাকার গৃহবধূ রেবেকা বেগম বলেন, ‘পাঁচ মণ ধান ভিজিয়েছি সিদ্ধ করার জন্য। কিন্তু বৃষ্টির কারণে সেই ধান সিদ্ধ করতে পারছি না। পানিতেই পড়ে আছে। এভাবে দু-এক দিন থাকলে সবই নষ্ট হয়ে যাবে।’
এদিকে শহরের রিকশা চালক সোনা দাস বলেন, রিকশা নিয়ে বের হয়েছি সকালে। শহরে যাত্রী অনেক কম। এখন ভাবছি দিন শেষে মালিকের ভাড়া কি করে দেব আর সংসারের জন্য বাজারই বা করব কি দিয়ে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ছিল ঝিনাইদহে।