হোম > ছাপা সংস্করণ

অটোমেটিক ওয়াটার ডিসপেনসার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

যাঁরা খাওয়ার জন্য জারের পানি ব্যবহার করেন, অটোমেটিক ওয়াটার ডিসপেনসার তাঁদের জন্য জরুরি একটি পণ্য। এটি জার উল্টে পানি ঢালার কষ্ট ও সমস্যা দূর করবে। 
মূলত এটি একটি বিদ্যুৎ চালিত পাম্প। চার্জ করে এটি চালাতে হয়। এই পাম্প ও জারের পানির মধ্যে সংযোগ ঘটানোর জন্য এই ডিভাইসের সঙ্গে একটি প্লাস্টিক পাইপ লাগাতে হয়। পাইপটির অন্য প্রান্ত থাকে জারের ভেতরে পানির মধ্যে। জারের মুখে এই ডিভাইসটি বসিয়ে দিতে হয়। এরপর নির্দিষ্ট বাটনে চাপ দিলেই পানি পড়তে শুরু করবে।

সাধারণত প্রিমিয়াম কোয়ালিটির উচ্চ ঘনত্বের এবিএস প্লাস্টিক শেল, ফুড গ্রেড সিলিকন, স্টেইনলেস স্টিল দিয়ে তৈরি হয়ে থাকে এ ধরনের ওয়াটার ডিসপেনসারগুলো। ফলে এগুলো নিরাপদ, বিষাক্ত নয়, গন্ধহীন এবং বিপিএমুক্ত। এসব ডিভাইসের ব্যাটারি সাধারণত ১২০০ মেগা হার্জের হয়ে থাকে। একবার ব্যাটারিতে চার্জ দিলে ৩০-৪০ দিন অথবা ৫ জার পানি পাম্প করার কাজে ব্যবহার করা যায়।

দেশের বাজারে বিভিন্ন 
ব্র্যান্ডের অটোমেটিক ওয়াটার ডিসপেনসার পাওয়া যায়। ব্র্যান্ড ভেদে এগুলোর দামেও বেশ খানিক তারতম্য আছে। তবে ৩০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে 
এই ওয়াটার ডিসপেনসারগুলো পাওয়া যায়।

বৈশিষ্ট্য

  • মাত্র একটি সুইচ, চাপ দিয়ে সহজেই জার থেকে পানি পাওয়া যাবে। এ জন্য জার থেকে প্রাচীন পদ্ধতিতে পানি ঢালতে হবে না।
  • ইউএসবি চার্জিং কেবল এবং লম্বা ব্যাটারি লাইফ।
  • সহজে বহনযোগ্য।
  • অল্প চার্জে দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা যায়।
  • ইনস্টল এবং ব্যবহার করা সহজ।
  • ফুড গ্রেড সিলিকন টিউব, গন্ধমুক্ত, বিষমুক্ত, স্বাস্থ্যকর এবং পরিবেশবান্ধব।
  • এটি সহজে বহনযোগ্য বলে বাড়ির ভেতরে ও বাইরের যেকোনো জায়গায় পানির জারে এটি ব্যবহার করা যাবে।
  • এটি বাড়ি, অফিস, স্কুল, ফ্যাক্টরি বা হাসপাতালে যেখানে অনেক মানুষের আনাগোনা আছে, সেসব জায়গার পানির জার সহজে ব্যবহার করা যাবে। 

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ