হোম > ছাপা সংস্করণ

মনোনয়ন নিয়ে বঞ্চিতদের ক্ষোভ

অরূপ রায়, সাভার থেকে

ঢাকার ধামরাইয়ে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী মাসে। ইতিমধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে আওয়ামী লীগ। তালিকায় গতবার দলের মনোনয়ন পেয়ে বিজয়ীদের অনেকেরই নাম নেই। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাদ পড়া নেতারা। তাঁদের অনেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন।

দলীয় মনোনয়নবঞ্চিতদের অনেকের ধারণা, তাঁরা দলীয় কোন্দলের শিকার। অনেকে মনে করেন দল তাঁদের মূল্যায়ন করেনি। তাই তাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন। তবে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, কেউ দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গেলে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।

ধামরাইয়ে ১৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ১৫টিতে আগামী ১১ নভেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে নিজেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে আওয়ামী লীগ। এর মধ্যে ১০টি ইউনিয়নে নতুন প্রার্থী দেওয়া হয়েছে।

গতবার উপজেলার সুয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে বিজয়ী হন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান। এবার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে সুয়াপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কফিল উদ্দিনকে। এতে ক্ষুব্ধ হাফিজুর রহমান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। নির্বাচনের আগাম প্রচারণা হিসেবে গত মঙ্গলবার এলাকায় মোটরসাইকেলে মহড়া দিয়েছেন।

হাফিজুর রহমান বলেন, দল তাঁকে মূল্যায়ন করেনি। তবে এলাকার ভোটারেরা তাঁকে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চায়। তাই দল থেকে পদত্যাগ করে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন।

যাদবপুর ইউনিয়ন থেকে এবার দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মজিদ। তিনি মনোনয়ন না পেয়ে গতবার বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছিলেন। গতবার দলীয় মনোনয়ন পেয়ে ওই ইউনিয়ন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান। এবার তিনি মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন।

মিজানুর রহমান বলেন, দল মূল্যায়ন না করায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন নান্নার ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন মোল্লাহ। তিনি গতবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল বাশারকে পরাজিত করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে বিজয়ী হয়েছিলেন। নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য পদ দেওয়া হয়।

আলতাফ হোসেন মোল্লাহ বলেন, ‘গতবারের নির্বাচনে আমার কাছে হেরে যাওয়া কোনো প্রার্থীকে ভোটারেরা মেনে নেবেন না। তাই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বলেন, ধামরাইয়ের সাবেক সাংসদ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ মালেক এবং বর্তমান সাংসদ ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজীর আহমেদের দ্বন্দ্বের কারণে অনেকে দলীয় মনোনয়ন পাননি। দুই নেতাই নিজেদের পছন্দের প্রার্থীদের জন্য তদবির করেছেন। এর ফলে অনেক যোগ্য প্রার্থীও বাদ পড়েছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বেনজীর আহমেদ বলেন, মনোনয়ন বোর্ড যাঁকে যোগ্য মনে করেছে, তাঁকেই মনোনয়ন দিয়েছে। কেউ অভ্যন্তরীণ কোন্দলের শিকার হননি।

এদিকে এম এ মালেক বলেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে অর্ধশতাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশীর নাম কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে মনোনয়ন বোর্ড বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই করে মনোনয়ন দিয়েছে।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ