আসন্ন ইউপি নির্বাচনে পিরোজপুর সদর উপজেলার শিকদার মল্লিক ইউনিয়নে মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে জেলখাটা সাবেক চেয়ারম্যান আবার নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন পেয়েছেন। এতে স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অভিযুক্ত প্রার্থী শহিদুল ইসলাম জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ২০১৮ সালের ৭ অক্টোবর রাতের আঁধারে পিরোজপুর সদর উপজেলার শিকদার মল্লিক ইউনিয়নের পাঁচপাড়া সর্বজনীন শ্রী শ্রী কালী মন্দিরে হামলা চালিয়ে ভেঙে ফেলা হয় তা। এ ঘটনায় মন্দির কমিটির সভাপতি বাদী হয়ে ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে সদর থানায় একটি মামলা করে। সেই মামলায় বেশ কিছুদিন জেল হাজতে ছিলেন শহিদুল ইসলাম। এ ঘটনার পর থেকে স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজনের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় তার। এবারের ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আবার মনোনয়ন দেওয়া হয় তাকে।
শিকদার মল্লিক পূজা উদ্যাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বাবু শেখর চন্দ্র মন্ডল বলেন, ‘মন্দির যে ভেঙেছে তাকে ভোট দেওয়া সম্ভব না।’
সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম সিকদার বলেন, ‘শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মন্দির ভাঙার অভিযোগ শোনা গেলেও শক্ত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই তাকে মনোনয়ন দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘কালী মন্দির ভাঙা নিয়ে অভিযোগটি মিথ্যা। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দেওয়া হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কিছু লোক আছে যারা স্বাধীনতা বিরোধীদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে।’