হোম > ছাপা সংস্করণ

চট্টগ্রামের হাতে তারুণ্যের মশাল

প্রিন্স রাসেল, ঢাকা

মুম্বাই থেকে ঢাকায় নেমেই শন টেইট এলেন দলের জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানে। ভ্রমণক্লান্তিতে খুব বেশি কথা বলার সুযোগ ছিল না তাঁর। সাবেক এই অস্ট্রেলীয় গতিতারকা এবার বিপিএলে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করছেন। নিজের দল নিয়ে তাঁর সংক্ষিপ্ত মূল্যায়ন, ‘২০১৩ সালের পর বাংলাদেশে আবার আসতে পেরে দারুণ লাগছে। তরুণ দল, শিরোপা জেতার সামর্থ্য রাখে।’

বিপিএলে আর সব দলের মতো চট্টগ্রাম প্রতিবারই শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে খেলে। ঘন ঘন দলটির মালিকানা আর নাম বদলালেও শিরোপাভাগ্যে কোনো পরিবর্তন আসেনি। চিটাগং কিংস ও চিটাগং ভাইকিংসের পর চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স নামে ফেরা দলটি এবার বার্তা দিচ্ছে দারুণ কিছু করার।

কাজটা অবশ্য সহজ হবে না মোটেও। তেমন বড় তারকা নেই তারুণ্যনির্ভর দলটিতে। ‘বড়’ নামের মধ্যে আছেন অনেক দিন ধরে জাতীয় দলের বাইরে থাকা ‘টি-টোয়েন্টি বিশেষজ্ঞ’ সাব্বির রহমান। আছেন গত কিছুদিনে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আলো ছাড়ানো নাসুম আহমেদ। বিদেশিদের মধ্যে বেনি হাওয়েলের সঙ্গে সরাসরি চুক্তি করেছে চট্টগ্রাম। নিলামে একঝাঁক উঠতি তারকাকে দলে টেনেছে তারা। আছেন শামীম হোসেন, আফিফ হোসেন, আকবর আলী, রেজাউর রহমান রাজার মতো তরুণ প্রতিভাবান ক্রিকেটাররা। অভিজ্ঞদের মধ্যে বিসিএলে দারুণ খেলা নাঈম ইসলামকে দলে ভিড়িয়েছে চট্টগ্রাম।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের নেতৃত্বে কে থাকবেন, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়। নাঈমের কাঁধে অধিনায়কত্বের ভার ওঠার সম্ভাবনাই বেশি। দলের প্রধান কোচ হিসেবে আছেন সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার পল নিক্সন। তিনি অবশ্য গতবারও এ দলের কোচ ছিলেন। দলের ভারসাম্য তৈরিতে ভালোই বেগ পেতে হবে তাঁকে। দলের বেশির ভাগ খেলোয়াড়ই যে পরীক্ষিত নন। বেনি হাওয়েল, রিয়াদ এমরিত, কেনার লুইস, জ্যাক উইলসের মতো বিদেশিদের অবশ্য ঝলক দেখানোর সামর্থ্য আছে।

এবারের বিপিএলে কেন তারুণ্যনির্ভরে দল গড়েছে চট্টগ্রাম, সেটির ব্যাখ্যায় ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এম রিফাতুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি তরুণ প্রজন্ম বাংলাদেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। বিপিএলে তাই আমরা তারুণ্যনির্ভর একটা দল গড়েছি। আমরা দল নিয়ে খুশি। চেষ্টা থাকবে মাঠে সেরাটা দেওয়ার।’

কখনোই বিপিএল শিরোপা না জেতা চট্টগ্রামের সর্বোচ্চ সাফল্য ২০১৩ সালে ফাইনালে ওঠা। কিন্তু শেষ ম্যাচে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের কাছে হেরে স্বপ্নটা আর পূরণ হয়নি তাদের। এরপর পাঁচ আসর খেলেও প্লে-অফের গণ্ডি পেরোতে পারেনি চট্টগ্রাম। সর্বশেষ দুই আসরে তো সেরা চারের টিকিটও জোটেনি তাদের। এবার আগে তাদের গ্রুপ পর্ব পেরোতে হবে। এরপর শেষ চারের বাধা পেরিয়ে উঠতে হবে ফাইনালে। চট্টগ্রাম-সমর্থকেরা বুঝতেই পারছেন, শিরোপা জিততে তাদের কতটা বন্ধুর পথ পাড়ি দিতে হবে।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স দল
কেনার লুইস, উইল জ্যাকস, সাব্বির রহমান, নাসুম আহমেদ, আফিফ হোসেন, শামীম পাটোয়ারী, বেনি হাওয়েল, মেহেদী হাসান মিরাজ, রায়াদ এমরিট, নাঈম ইসলাম, আকবর আলী, জাকির হাসান, চ্যাডউইক ওয়ালটন, এনামুল হক জুনিয়র, রেজাউর রহমান রাজা, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, শরীফুল ইসলাম, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ