হোম > ছাপা সংস্করণ

বাবা লাশ টানেন বলে বিয়ে হচ্ছে না মেয়ের

ইমাম হাসান মুক্তি, লালপুর

মো. হাশেম আলী ভ্যানে করে লাশ বহন করেন। এটিই তাঁর পেশা। প্রায় ৩৯ বছর ধরে এই কাজ করছেন। এ সময়ের মধ্যে পাঁচ হাজারেরও বেশি লাশ টেনেছেন। এ কারণে তাঁকে ‘লাশ টানা হাশেম’ নামে অনেকে চেনেন। এই পরিচিতিই কাল হয়েছে। তাঁর মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না।

হাশেমের (৬২) বাড়ি নাটোরের লালপুরের কচুয়া গ্রামে। তিনি বলেন, তিনি লালপুর থানা থেকে লাশ ভ্যানে করে নাটোর মর্গে আনা-নেওয়া করেন। এ জন্য সরকারি কোনো বরাদ্দ পান না। মৃতের স্বজনদের কাছ থেকে সামান্য টাকা পান। অন্য সময় মাঠে কাজ করেন। তিনি বলেন, প্রথমে একটি ভ্যান কিনে এই কাজ শুরু করেন। বছর কুড়ি হলো ইঞ্জিনচালিত ভ্যানে লাশ টানছেন। এ ছাড়া মামলাজনিত কারণে কবর থেকে লাশ উত্তোলন ও দাফন করেন। ময়নাতদন্তের জন্য ডাক্তার-ডোমের সঙ্গে লাশকাটা ও বিবরণ লিখতে সহায়তা করেন।

হাশেম আলী আরও বলেন, তাঁর তিন মেয়ে ও দুই ছেলে আছে। লাশ টানার কারণে কোনো যাত্রী তাঁর গাড়িতে ওঠে না। ছয় বছর সমাজ থেকে একঘরে হয়ে ছিলেন। পরিবারের সদস্যরাও তাঁর সঙ্গে থাকেননি। তাঁর হাতে খাবার পর্যন্ত খাননি। নিজের পরনের পোশাক নিজেকেই পরিষ্কার করতে হয়েছে। এই পেশার কারণে তাঁর মেয়েকে কেউ বিয়ে করতে চান না। মেয়েদের নিয়ে তিনি হতাশার মধ্যে আছেন।

তাঁর স্ত্রী বুলু খাতুন বলেন, প্রথম দিকে ‘লাশ টেনে বাড়ি আসার পর অস্বস্তি লাগত। বাড়ির কেউ তাঁর সাথে মিশত না। এখন সয়ে গেছে।’

লালপুর থানার ওসি মো. ফজলুর রহমান বলেন, লাশ বহনের জন্য সরকারি কোনো বরাদ্দ নেই। তাই লাশ বহনের জন্য হাশেম আলীকে কোনো টাকা দেওয়া হয় না। তবে বেওয়ারিশ লাশের ক্ষেত্রে থানা থেকে কিছু টাকা দেওয়া হয়।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ