হোম > ছাপা সংস্করণ

ভুয়া সনদে পেয়েছেন চাকরি মিলেছে পদোন্নতিও

ফারুক ছিদ্দিক, ঢাবি 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সাবেক প্রটোকল অফিসার (পিও) আহসানুল কবির মল্লিকের বিরুদ্ধে ভুয়া সনদ দেখিয়ে চাকরি গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। এমনকি পরবর্তী সময়ে শর্ত না মেনেই মল্লিককে সহকারী প্রকৌশলী পদ থেকে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

ঢাবি সূত্রে জানা গেছে, পলিটেকনিক্যাল কলেজ থেকে তিন বছরের ডিপ্লোমা কোর্স করেন মল্লিক। পরে ২০১২ সালে ঢাবিতে সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) পদে যোগদান করেন। অথচ চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ‘প্রার্থীকে সরকার অনুমোদিত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হতে কমপক্ষে দ্বিতীয় বিভাগে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং (ইলেকট্রিক্যাল) পাস হতে হবে এবং সরকারি/আধা-সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে তিন বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতাসহ কম্পিউটারের ওপর দক্ষতা থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনে তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়।’ মল্লিকের চার বছর মেয়াদি বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি নেই। যে কারণে ভুয়া বিএসসি সার্টিফিকেট দেখিয়ে চাকরি নেন তিনি। মল্লিক ঢাবি উপাচার্যের প্রটোকল অফিসার পদেও দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত প্রভাব খাটানোসহ নানা অভিযোগে তাঁকে উপাচার্যের পিও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। ঢাবির নিয়ম অনুযায়ী, উপসহকারী প্রকৌশলী বা সমমানের পদে অধিষ্ঠিত ডিপ্লোমা পরীক্ষা পাস (তিন বছর মেয়াদি কোর্স) প্রকৌশলীরা একই পদে সাত বছর চাকরি করার পর সহকারী প্রকৌশলী বা সমমানের পদে পদোন্নতি/আপগ্রেডিংয়ের যোগ্যতা অর্জন করবেন। সহকারী প্রকৌশলী পদে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত স্নাতক প্রকৌশলীদের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ে কমপক্ষে পাঁচ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে পদোন্নতি পাবেন। আর ডিপ্লোমা পরীক্ষা পাস সহকারী প্রকৌশলীদের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট চাকরিকাল ১৫ বছরের মধ্যে ৭ বছর সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলে নির্বাহী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি পাবেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাবির কয়েকজন কর্মকর্তা অভিযোগ করে বলেন, পাঁচ বছর চাকরি করার পর ২০১৭ সালে মল্লিককে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, কলেজ থেকে তিন বছরের ডিপ্লোমা শেষ করে মল্লিক ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি থেকে দুই বছরের বিএসসি ইন টেকনিক্যাল এডুকেশনে ডিপ্লোমা নেন। এরপর নিজেকে বিএসএসি ইঞ্জিনিয়ার দেখিয়ে চাকরি নেন ঢাবিতে।

অভিযোগ নিয়ে জানতে চাইলে আহসানুল কবির মল্লিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে চাকরি করতাম। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার যাবতীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। এরপর যথাযথ প্রক্রিয়ায় যোগদান করেছি। আমার আর কিছু বলার নেই।’

সার্বিক বিষয়ে ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘এ ধরনের কোনো অভিযোগ আমি পাইনি। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় অভিযোগ এলে আমরা তদন্ত করে দেখব। কারও নিয়োগে সমস্যা আছে কি না, তখনই জানতে পারব।’

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ