ফেনী আদালত পরিদর্শক গোলাম জিলানীকে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহারের পাশাপাশি বিভাগীয় শাস্তির আলটিমেটাম দিয়েছে জেলা আইনজীবী সমিতি। গতকাল রোববার বিকেলে সমিতির জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
গত ২ জানুয়ারি ফেনীর আদালতের এক আইনজীবীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে কোর্ট পুলিশ। ঘটনার শিকার আইনজীবী বিষয়টি প্রথমে মৌখিক ও পরে গত ৪ জানুয়ারি লিখিতভাবে বিচার চান। এ ঘটনায় জরুরি সভা আহ্বান করে আইনজীবী সমিতি।
আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট নুর হোসেন বলেন, ঘটনার শিকার আইনজীবী এ বিষয়ে লিখিতভাবে বিচার চেয়েছেন বলে জরুরি সভা ডাকা হয়েছে। সভার সিদ্ধান্ত রেজল্যুশন প্রিন্ট করে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা জজের মাধ্যমে পুলিশ সুপার ও পুলিশের উচ্চ মহলের নজরে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সমিতির একাধিক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অভিযোগ করে বলেন, ফেনীর আদালতে যোগদানের পর থেকে গোলাম জিলানী বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। দুই বছরের বেশি সময় ধরে তিনি এখানে কর্মরত। টাকা ছাড়া তিনি কিছু বোঝেন না। টাকা না দিলে জামিননামার কপিও আটকে রাখেন। এসবের প্রতিবাদ করলে অ্যাডভোকেট নাজমুস সাকিবকে লাঞ্ছিত করা হয়।
এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট নাজমুস সাকিব বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার মনির আহমেদ নামের এক ব্যক্তির জামিন দেন আদালত। জামিননামা যথাসময়ে না পৌঁছানোর কারণ জানতে চাইলে আদালত পরিদর্শক গোলাম জিলানী আমার মোবাইল ফোন কেড়ে নেন।’