হোম > ছাপা সংস্করণ

স্বাস্থ্যবিধি মানায় গা ছাড়া ভাব

প্রতিদিনই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে। করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের বিস্তার ঠেকাতে মাস্ক পরার পাশাপাশি সবাইকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। করোনা মোকাবিলায় সরকারের জারি করা ১১ দফা বিধি-নিষেধ গত ১৩ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। বিধি-নিষেধ প্রতিপালন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের তৎপরতাও রয়েছে। তবু স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে উদাসীনতা দেখা গেছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

নীলফামারী: গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনা শনাক্তের হার ১১ দশমিক ৯০ শতাংশ হলেও সাধারণ মানুষদের মাঝে তেমন কোনো সচেতনতা দেখা যাচ্ছে না।

জেলার বিভিন্ন এলাকা ও হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ মানুষই ইচ্ছা মতো চলাচল করছেন। মানুষের ভিড় থাকলেও কারও মধ্যেই স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে কোনো আগ্রহ নেই। অধিকাংশের মুখে নেই মাস্ক। হোটেল ও দোকানগুলোতে বেচাকেনা হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে। বিশেষ করে উত্তরা ইপিজেডে প্রায় ৩৫ হাজার শ্রমিক গণপরিবহনে গাদাগাদি করে যাতায়াত করছেন। কোনো ক্ষেত্রেই নজরদারির বালাই নেই।

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রমতে, জেলায় জনসংখ্যা প্রায় ২৩ লাখ। গত ২০২১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২২ সালের ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত করোনার টিকা প্রদান করা হয়েছে ২২ লাখ ২ হাজার ৮৫৯ ডোজ। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১৪ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ জন। প্রথম ডোজ গ্রহীতার মধ্যে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৯৯৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েছেন ৭ লাখ ৪৬ হাজার ৬২৪ জন। এর মধ্যে শিক্ষার্থী রয়েছে ৮ হাজার ১৯১ জন। অপরদিকে তৃতীয় বুস্টার ডোজ নিয়েছেন ১৪ হাজার ৭৯০ জন।

সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর কবীর জানান, সাধারণ মানুষেরা সচেতন না হলে সংক্রমণ ঠেকানো সম্ভব না। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আজাহারুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত দুই দিন ধরে জেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানা আদায় করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

গাইবান্ধা: গাইবান্ধার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শহর এলাকায় প্রশাসনিকভাবে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেও মাস্ক ব্যবহারে আগ্রহী করা যাচ্ছে না। পাড়া মহল্লা থেকে শুরু করে গণপরিবহনগুলোতে সামাজিক দূরত্ব এবং মাস্ক ব্যবহার এখন নেই বললেই চলে।

গতকাল জেলা শহরের রাস্তা-ঘাট, হোটেল, মার্কেটে মানুষের মধ্যে তেমন সচেতনতা দেখা যায়নি। যাত্রী থেকে শুরু করে বাসচালক বা সহকারী, বেশির ভাগেরই মুখে মাস্ক ছিল না। যাঁদের কাছে ছিল, তারা সঠিকভাবে মাস্ক ব্যবহার না করে নাক-মুখ খোলা রেখেছেন।

শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, বেশির ভাগ মানুষ সঠিকভাবে মাস্ক পরিধান করেননি। কেউ থুতনিতে মাস্ক পরেছেন, কেউ সাংবাদিক দেখে পকেট থেকে মাস্ক বের করেছেন। অনেকের কাছে মাস্কই ছিল না। কারও কারও মাস্ক ছিল পকেটে। মাস্ক না পরার জন্য নানা অজুহাত দেখিয়েছেন তাঁরা।

সিভিল সার্জন ডা. আ. ম. আখতারুজ্জামান জানান, গত ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত গাইবান্ধা জেলায় ১২ লাখ ৭৩ হাজার ৮৯০ জনকে করোনা ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ৫১ হাজার জন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী রয়েছে। জেলার মোট ৪৫ শতাংশ মানুষকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হয়েছে।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ