সিলেটে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন নিয়ে জটিলতা শুরু হয়েছে। নির্বাচনে কোনো প্যানেলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় প্রেসিডিয়াম গঠন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। চেম্বারের প্রেসিডিয়াম থেকে ছিটকে পড়া সিলেট ব্যবসায়ী পরিষদ নির্বাচন নিয়ে মামলার ইঙ্গিত দিয়েছে।
গত শনিবার সিলেট চেম্বারের নির্বাচন সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে সিলেট ব্যবসায়ী পরিষদ ও সিলেট সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ থেকে সমান ১১ জন করে পরিচালক নির্বাচিত হন। গত সোমবার বিকেল ৩টার দিকে প্রেসিডিয়াম গঠনের সময় নির্ধারিত ছিল। বিকেল থেকে নানা নাটকীয়তা ও উত্তেজনার পর এক পক্ষের নির্বাচন বর্জনের মধ্যেই সিলেট চেম্বারের নতুন কমিটি গঠন করা হয়।
চেম্বারের নতুন সভাপতি হন তাহমিন আহমদ। এ ছাড়া ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদকে সিনিয়র সহসভাপতি ও আতিক হোসেনকে সহসভাপতি পদে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। তাঁরা সবাই সিলেট সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের প্রার্থী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে তাহমিন ও আতিক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আব্দুল জব্বার জলিল এই তিনজনকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। ফলাফল ঘোষণার পর পুলিশ প্রহরায় চেম্বার ভবন ছাড়েন নির্বাচন কমিশনারেরা।
ফলাফল ঘোষণার আগেই রাত ১১টার দিকে নির্বাচন বর্জন করে সিলেট ব্যবসায়ী পরিষদ। তারা নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অগঠনতান্ত্রিক ও একেপেশে আচরণের অভিযোগ এনে বর্জনের ঘোষণা দেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর জিন্দাবাজার এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন করে তারা।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুর রহমান জামিল বলেন, ‘চেম্বারের যে প্রেসিডিয়াম গঠন করা হয়েছে, এর বিরুদ্ধে নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের কাছে আপিল করা হবে। আপিলে বিষয়টির সুরাহা না হলে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
চেম্বার সূত্রে জানা গেছে, প্রেসিডিয়াম গঠন নিয়ে সিলেট সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের তাহমিন আহমদ নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের কাছে ওই দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র নিয়ে অভিযোগ করেন। রাতে নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড তাহমিন আহমদের অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আব্দুর রহমান জামিল ও হুমায়ুন আহমদের প্রার্থীতা বাতিল করে।