কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৫২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আনুমানিক ৭৪ হাজার শিক্ষার্থীকে কৃমিনাশক বড়ি খাওয়ানো হবে। জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে এর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে ৫ নভেম্বর জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উদ্যাপিত হবে।
এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য কর্মপরিকল্পনা গ্রহণে সভা হয়েছে। গত বুধবার সিটি করপোরেশনের মেডিকেল অফিসারের কক্ষে সভার আয়োজন করা হয়। অ্যাডভোকেসি সভায় বক্তব্য দেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. আবু সায়েম ভূঁইয়া, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেডিকেল অফিসার ডা. চন্দনা রানী দেবনাথ ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. জহিরুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সের শিক্ষার্থীদের একটি করে কৃমিনাশক মেবেন্ডাজল (৫০০ মিলিগ্রাম) বড়ি খাওয়ানো হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের এ কার্যক্রমে বিশেষ ভূমিকা রাখতে হবে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেডিকেল অফিসার ডা. চন্দনা রানী দেবনাথ বলেন, শিশুদের শারীরিক ও মানসিক সঠিক বিকাশ ও রোগমুক্ত দেহ গঠনে কৃমিনাশক বড়ি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে নিয়ম মেনে এটি খেতে হবে। শিশুদের অবশ্যই ভরা পেটে বড়ি খেতে হবে বলে জানান তিনি। এ জন্য শিক্ষার্থীরা সকালে বিদ্যালয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের বড়ি খাওয়াতে হবে। সেদিন শরীরচর্চা বা দৌড়ঝাঁপ থেকে শিক্ষার্থীদের বিরত রাখতে শিক্ষকদের পরামর্শ দেন তিনি।
অ্যাডভোকেসি সভায় অন্যান্যদের মধ্যে জেলার অতিরিক্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক এ এস এম জোবায়ের, ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিল্লার সহকারী পরিচালক নাজমুস সাকিব, পুলিশ লাইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিক নাসিমা বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।