বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়া বাধ্য হয়ে বাড়ানো হয়েছে। তাই ধর্মঘট ডেকে সমস্যার কোনো সমাধান আসবে না। আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব বলে মনে করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। গতকাল শনিবার সুনামগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাসন রাজা মিলনায়তনে তিনি এ কথা বলেন।
জেলা প্রশাসন ও জেলা সমবায় অধিদপ্তর যৌথভাবে ৫০তম সমবায় দিবসের আলোচনা সভার আয়োজন করে। সভার প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী। আলোচনা সভায় তিনি বলেন, ‘তেলের দাম বৃদ্ধি অবশ্যই চিন্তার বিষয়। তবে বিশ্বের কোথাও সবকিছু সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। মূল মহাজনেরা যখন দাম বাড়ান, তখন বাধ্য হয়েই আমাদের বাড়াতে হয়। তবে তেলের দাম তাঁরা যতটা বাড়িয়েছেন, সেই অনুপাতে দেশে দাম বাড়ানো হয়নি।’
এখনো জ্বালানি তেলে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। তবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোয় পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘটে কোনো ফল আসবে না বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, ‘আলোচনার মাধ্যমেই সব সমাধান করা সম্ভব।’
আলোচনা সভায় নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘করোনার কারণে যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছিল, তা পুষিয়ে আমরা আগের অবস্থানে ফিরে যাচ্ছি।’
আলোচনা সভার আগে জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণ থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। এ সময় সমবায় দিবসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পরিকল্পনামন্ত্রী।
শোভাযাত্রা শেষে জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, জেলা সিভিল সার্জন ডা. শামস উদ্দিন আহমদ, পৌর মেয়র নাদের বখত, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ নীলিমা চন্দ প্রমুখ।