ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে হত্যা মামলার আসামি হয়ে কারাগারে যাওয়ায় চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে বি এম নাসির উদ্দিনের। তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কুশনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী ছিলেন। তবে ১৮ অক্টোবর আদালতের রায়ে নির্ধারিত হবে এ প্রার্থীর ভাগ্য।
তফসিল অনুযায়ী তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কোটচাঁদপুরের পাঁচটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। এর মধ্যে রয়েছে ৩ নম্বর কুশনা ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদে সাতজন প্রার্থী নির্বাচনী গণসংযোগ করছেন। এ সাতজন প্রার্থীর মধ্যে অন্যতম প্রার্থী বি এম নাসির উদ্দিন।
এ দিকে ২০১০ সালে ৭ জুলাই ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের সাবেক যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন (শান্তি) হত্যা হয়। ওই হত্যা মামলায় পুলিশ ২০১১ সালের ২৪ অক্টোবর ১১ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। যার মধ্যে রয়েছেন বি এম নাসির উদ্দিন।
গেল ৫ অক্টোবর মামলার সকল সাক্ষীদের জেরা শেষে ১৮ অক্টোবর রায়ের দিন ধার্য করেছেন আদালত। ওই মামলায় গেল ৫ অক্টোবর কারাগারে যান বি এম নাসির উদ্দিন। এ কারণে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থিতা হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। তবে ১৮ অক্টোবর আদালতের রায়ে নির্ধারিত হবে বি এম নাসির উদ্দিনের প্রার্থিতার ভাগ্য।
বি এম নাসির উদ্দিন কোটচাঁদপুর উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক। এ ছাড়া তিনি গেল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সদস্য পদে নির্বাচিত হন। নাসির কোটচাঁদপুর উপজেলার জালালপুর গ্রামের মালো খালি পাড়ার আয়ুব বিশ্বাসের ছেলে।
কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা অহেদ মুরাদ বলেন, ‘মামলার রায় ঘোষণা না হলে নির্বাচনে প্রার্থী হতে বাধা নেই।’