যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে ব্যাড গাইজ বা খারাপ কাজ করা একদল প্রাণী ছিল। যাদের কাজ ছিল বিভিন্ন জায়গা থেকে দামি দামি জিনিস চুরি করা। সে দলের সরদার ওলফ।
একবার ‘সোনার ডলফিন’ নামে একটি পুরস্কার চুরি করতে যায় তারা। সেখানে ওলফ একজন নারীকে সাহায্য করতে গিয়ে নিজের ভুল বুঝতে পারে। তারা যে চুরি করছে এবং এটা যে অনৈতিক, বিষয়টি তার মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে। চুরির একপর্যায়ে তারা ধরা পড়ে যায় পুলিশের হাতে। সবার কাছে বেশ অপদস্থ হয় ওলফ ও তার দল। কিন্তু ওলফ সবাইকে বোঝাতে চায় তারা যে কাজ করছে, সেটা ঠিক নয়। মানুষের জিনিস চুরি করা অপরাধ। সবাই মেনে নিলেও দলের স্নেক নামে এক সদস্য সেটা মানতে চায় না। সে ভাবে তারা যদি দলবদ্ধ হয়ে আর চুরি না করে তাহলে তাদের বন্ধুত্বের বন্ধন নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
স্নেক শয়তান মারমালেডের সঙ্গে আঁতাত করে, তারা একটি শক্তিশালী উল্কাপিণ্ড চুরি করে মানুষের মন নিয়ন্ত্রণ করার মেশিন চালানোর জন্য। কিন্তু ওলফ তার দলবল নিয়ে উল্কাপিণ্ড উদ্ধার করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ জানায়, এটা আসল উল্কাপিণ্ড নয়। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে ওলফের। এ মুহূর্তে যদি তারা উল্কাপিণ্ড উদ্ধার করতে না পারে তাহলে সব মানুষ কিংবা প্রাণী খারাপ লোকজনের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে। তাদের কথামতো উঠবে-বসবে।
কী হবে শেষ পর্যন্ত? ওলফ কি পারবে সবাইকে স্নেক ও মারমালেডের হাত থেকে উদ্ধার করতে? আর হয়ে উঠতে পারবে একজন অসাধারণ ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্বের কেউ?
কি, জানতে ইচ্ছে হয় শেষ পর্যন্ত কী হয়েছে? তাহলে দেরি না করে দেখে ফেলো ‘দ্য ব্যাড গাইজ’ সিনেমাটি। পিয়ের পেরিফেল পরিচালিত এই সিনেমাটি মুক্তি পায় ড্রিমওয়ার্কস অ্যানিমেশন থেকে।