রোহিঙ্গাদের কথিত উগ্রপন্থী সংগঠন আরাকান সালভেশন আর্মির (আরসা) বাংলাদেশ জোনের প্রধান ও সেকেন্ড ইন কমান্ড মোহাম্মদ হাশিমের মৃত্যুর খবর এখনো নিশ্চিত করেনি প্রশাসন। এমনকি হাসপাতালে বা থানাতেও পাওয়া যায়নি তাঁর লাশ।
গত মঙ্গলবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গণপিটুনিতে ‘সন্ত্রাসী’ হাশিম নিহত হয়েছে বলে প্রচার চালায় রোহিঙ্গারা।
ফেসবুকে হাশিমের মরদেহের ছবি দিয়ে এক অডিওবার্তায় দাবি করা হয়, আরসার অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে হাশিম নিহত হয়েছেন। ‘রোহিঙ্গাদের দুঃখের অবসান হয়েছে, আরসার জালিম হাশিমকে পুড়ে ফেলা হয়েছে।’
এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমেও সংবাদ প্রকাশ হয়। সংবাদগুলো হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মাহাবুবুর রহমানের বরাত দিয়ে বলা হয়, ‘কক্সবাজার টেকনাফের হোয়াইক্যং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কথিত আরসা নেতা মোহাম্মদ হাশিমের মরদেহ পাওয়া গেছে।’ রোহিঙ্গাদের গণপিটুনিতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
কিন্তু ঘটনার তিন দিন অতিক্রম হলেও হাশিমের লাশের হদিস এখনো মেলেনি। এদিকে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মাহাবুবুর রহমান দাবি করেছেন তিনি মিডিয়াতে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেননি।
এদিকে জেলা হাসপাতালের মর্গেও মেলেনি তাঁর লাশের সন্ধান।