সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হরিপদ সাহার মা রেনুবালা (১০৩) মারা গেছেন। হরিপদ নিহতের দুই সপ্তাহের মাথায় তাঁর মা মারা গেলেন। গত মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে কুমিল্লা নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাহাপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে মা মারা যান। হরিপদের বোন বুলু সাহা তথ্যটি জানান।
হরিপদ সাহা কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর সোহেলের সহযোগী ছিলেন। সোহেলের সঙ্গে তিনিও সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন।
মা রেনুবালা দীর্ঘদিন শয্যাশায়ী ছিলেন। ছেলে হরিপদ তাঁর দেখাশোনা করতেন। হরিপদ সাহার শেষকৃত্যের সময়ও মাকে তাঁর মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি। পরে দীর্ঘদিন হরিপদের দেখা না পেয়ে অস্থির হয়ে পড়েন তিনি। এরপর স্বজনেরা কথার ছলে ধীরে ধীরে মাকে মূল ঘটনা জানান।
বোন বুলু সাহা জানান, গত বুধবার দুপুর ১২টার দিকে নগরীর টিক্কারচর শ্মশানে মায়ের শেষকৃত্য হয়েছে।
রেনুবালার ছয় মেয়ে ও এক ছেলে। হরিপদ ছিলেন সবার ছোট। পাঁচ মাস আগে হরিপদের স্ত্রী হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। মায়ের সেবা-যত্ন নিঃসন্তান হরিপদই করতেন।
শ্রী শ্রী লোকনাথ সংঘের সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার সাহা বলেন, ‘হরিপদ মারা যাওয়ার পর বোনেরা দেখাশোনা করতেন।’
হরিপদের বোন বুলু আরও বলেন, ‘আমার ভাইয়ের মৃত্যুর শোক সহ্য করতে না পেরে মা মারা গেছেন।’