ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেছেন, তাঁদের বোর্ড ৯০ শতাংশ ডিজিটাল হয়ে গেছে। ডিজিটাল হয়ে যাওয়ায় এ বোর্ডের অধীনে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের বোর্ডে না আসার আহ্বান জানান। গতকাল শনিবার ঢাকার আশুলিয়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি আয়োজিত এক কর্মশালায় এ কথা বলেন তিনি।
গতকাল বেলা ১১টায় ‘করোনাকালীন শিক্ষণ ঘাটতি নিরসন ও মনোসামাজিক পরিচর্যা’ শীর্ষক কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন কলেজ থেকে শতাধিক অধ্যক্ষ এ কর্মশালায় অংশ নেন। কর্মশালার উদ্বোধন করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুব উল হক মজুমদার।
উদ্বোধনী বক্তব্যে ড. এস এম মাহবুব উল হক মজুমদার বলেন, ‘প্রযুক্তির সব সুবিধা নিয়ে শিক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি পথপ্রদর্শক বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও ১০ বছর আগে থেকে অনলাইন ক্লাস চালু রয়েছে।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই ডিজিটাল বাংলাদেশকে পরিচিত করার জন্য। ডিজিটাল উন্নয়ন না হলে করোনার মধ্যে এভাবে শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে পারতাম না। প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের বলছি, দয়া করে বোর্ডে আসবেন না। ঢাকা বোর্ড ইতিমধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ ডিজিটাল হয়ে গেছে।’
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম আমিরুল ইসলাম। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক অধ্যাপক আবুল মনছুর ভূঁইয়া, কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক আবু তালেব মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (সনদ) মো. হেলাল উদ্দিন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির একাডেমিক অ্যাফেয়ার্সের ডিন অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল, স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমান প্রমুখ।