হোম > ছাপা সংস্করণ

ব্যবসা ছাড়ছেন লাইসেন্সধারীরা

শামিমুজ্জামান, খুলনা

খুলনায় লাইসেন্স ছাড়াই তিন শতাধিক দোকানে বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাস। লাইসেন্স পাওয়া ব্যক্তিরা অবৈধভাবে গ্যাস বিক্রি বন্ধের জন্য বিভিন্ন মহলে অবেদন করলেও কাজ হয়নি। অপরদিকে অবৈধ গ্যাস বিক্রিকারীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে অনেক লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী তাঁদের ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছেন। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই গ্যাস বিক্রির কারণে রয়েছে দুর্ঘটনার শঙ্কাও।

খুলনা জেলায় সাড়ে ৬০০-এর বেশি এলপি গ্যাস বিক্রির লাইসেন্স রয়েছে। এর মধ্যে ব্যবসা করছেন ২০০ জন। বাকিরা কেউই এলপিজি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নন। তবে তিন শতাধিক অবৈধ ব্যবসায়ী রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন খুলনা এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি তোবারেক হোসেন তপু। তিনি বলেন, এলপি গ্যাস বিক্রির লাইসেন্স নিতে গেলে ট্রেড লাইসেন্স, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নকশা, ছবি, চুক্তিনামা, চালান ও জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নকশা। কিন্তু লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করতে গেলে এসবের প্রয়োজন হয় না তাঁদের। সবচেয়ে বড় কথা, তাঁরা নিয়মনীতি না মেনেই মুদিখানা, ওষুধের দোকান, সাইকেল গ্যারেজ, পানের দোকান, তুষ কাঠের দোকান, রড সিমেন্টের দোকান, ফটোকপির দোকান ও ক্রোকারিজের দোকানে বিক্রি করছেন এলপি গ্যাস। তাঁরা যেভাবে সিলিন্ডার রাখেন যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

তোবারেক হোসেন বলেন, অবৈধভাবে গ্যাস বিক্রি বন্ধের জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বিস্ফোরক অধিদপ্তরে বারবার আবেদন করলেও তা বন্ধ হয়নি। এদিকে লাইসেন্সবিহীন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে গত দুই বছরে অন্তত ১৫ জন লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

তোবারেক হোসেন আরও বলেন, লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা করতে গেলে ভ্যাট, ঘরভাড়া দিতে হয়। আছে অন্য খরচও। কিন্তু অবৈধভাবে ব্যবসা করতে গেলে তেমন কোনো খরচ নেই। যে কারণে তাঁরা কম দামেও গ্যাস বিক্রি করতে পারেন। যা একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীর পক্ষে সম্ভব নয়। এদিকে খুলনা বিস্ফোরক অধিদপ্তরের পরিচালক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, খুলনা জেলায় সাড়ে ৬০০-এর বেশি লাইসেন্স রয়েছে। এ ছাড়া অনেকে অবৈধভাবে ব্যবসা করছেন। তবে এলপি গ্যাস বিধিমালা ২০০৪ অনুযায়ী অনুমতি ছাড়াও ১০টি সিলিন্ডার গ্যাস রাখা যাবে। অবৈধ বিক্রেতারা এই সুযোগে গ্যাস বিক্রি করেন। এ ছাড়া বিস্ফোরক অধিদপ্তর খুলনা অফিসে লোকবল সংকট রয়েছে। যে কারণে ইচ্ছা থাকলেও সঠিকভাবে তদারকি কিংবা অভিযান চালানো সম্ভব হয় না।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ