গতকালই আমরা আমাদের স্বাধীনতার ৫১তম বার্ষিকী উদযাপন করেছি। এই স্বাধীনতা আমাদের অনেক চড়া মূল্যে পেতে হয়েছে। কত মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে। কত নারীকে জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ সম্ভ্রম দিতে হয়েছে। কত মানুষকে শরণার্থীর জীবন কাটাতে হয়েছে, হয়েছে উদ্বাস্তু জীবনযাপন করতে। কতজনকে সইতে হয়েছে কত অবর্ণনীয় দুঃখ-দুর্ভোগ।
আমাদের স্বাধীনতার প্রেক্ষাপটটি অনেক ঘটনায় পূর্ণ, অনেক গৌরবে গৌরবান্বিত। মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে, তাদের প্রেরণা দিয়ে, সাহস দিয়ে একটা চূড়ান্ত বোঝাপড়ার দিকে নিয়ে যাওয়ার কৃতিত্ব যাঁদের, তাঁদের মধ্যে প্রধানজন অবশ্যই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আরও অনেক রাজনৈতিক নেতা। ছিলেন শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, সাংস্কৃতিক আন্দোলনের ব্যক্তিসহ বিভিন্ন পেশার আরও অনেক মানুষ। ছিলেন ছাত্ররা, শুধু বিশ্ববিদ্যালয় নয়, কলেজছাত্ররাও। গত শতকের ষাটের দশক থেকে আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা যেমন সামনের সারিতে চলে আসেন, তেমনি শেখ মুজিবুর রহমানও হয়ে দাঁড়ালেন প্রধান যোদ্ধা। তাঁর বলিষ্ঠ এবং আপসহীন নেতৃত্ব বস্তুতপক্ষে পথ দেখাল বাঙালিদের।
যে ছয় দফার দাবিতে তিনি সারা দেশকে একত্র করলেন, তা ছিল বাঙালির মুক্তির সনদ। শেখ মুজিবকে তাই পাকিস্তানিরা গণ্য করত এক নম্বর ‘শত্রু’ হিসেবে। ষাটের দশকজুড়ে যতই উত্থান হলো বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনার, ততই পাকিস্তানি নির্যাতন বাড়ল। আগরতলা মামলার নামে ষড়যন্ত্র শুরু হলো। কিন্তু ছাত্র-জনতার প্রতিরোধে ভেস্তে গেল সেই ষড়যন্ত্র। শেখ মুজিব মুক্ত হলেন। ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান পাকিস্তানের লৌহমানব আইয়ুব খানকে ক্ষমতাচ্যুত করল। পালাবদল ঘটল রাজনীতিতে। তারপর সাধারণ নির্বাচন এল। নির্বাচনের আগেই হলো ১৯৭০-এর প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়। লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হলো, ধ্বংস হলো বিস্তীর্ণ জনপদ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকেরা থাকলেন নির্লিপ্ত। তীব্র ক্ষোভ জাগল তাঁদের বিরুদ্ধে। ভোটের ফলাফলে এর প্রভাব পড়ল দারুণভাবে। শেখ মুজিবের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পেল নিরঙ্কুশ বিজয়। জয় হলো বাঙালির।
কিন্তু ক্ষমতা হস্তান্তর করা নিয়ে শুরু হলো তালবাহানা। ইয়াহিয়া-ভুট্টো চক্র শুরু করলো বাঙালি বিরোধী নতুন ষড়যন্ত্র। জাতীয় সংসদের অধিবেশন ডেকেও ১ মার্চ ১৯৭১ তা স্থগিত করল পাকিস্তানি শাসকচক্র। শুরু হলো গণ-আন্দোলন। এই আন্দোলন থামাতে পাকিস্তানি শাসকেরা আয়োজন করলেন লোকদেখানো একটা আলোচনার। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সঙ্গে অনেক বৈঠক করলেন ইয়াহিয়া খান এবং জুলফিকার আলী ভুট্টো। চুপিসারে তাঁদের ঢাকা ত্যাগের পর ২৫ মার্চ রাতে অপারেশন সার্চলাইট নামে বাঙালিনিধনে মাঠে নামে পাকিস্তানি সৈন্যরা। সেই রাতেই ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে গেল পাকিস্তান ও বাংলাদেশ নামে দুটি রাষ্ট্রের। পাকিস্তান দ্বিখণ্ডিত হবে, বাংলাদেশ আলাদা হবে—এ সত্যটি সেই রাতেই স্পষ্ট হয়ে যায়। জনগণ মনে মনে প্রস্তুত ছিল, সামান্য প্রস্তুতিও ছিল। তাই সংগঠিত হতে দেরি হয়নি ছাত্র-জনতা ও বাঙালি সৈনিকদের। ১৯৭১-এর সাতই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ছিল প্রকারান্তরে স্বাধীনতার ঘোষণা।
ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, স্বাধীনতাযুদ্ধের পুরো সময় আমাদের প্রেরণার উৎস ছিলেন বঙ্গবন্ধু। স্বাধীনতাসংগ্রামে তাঁর অবদান কিছুতেই ম্লান করা যাবে না। পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসন বা স্বাধীনতার প্রয়োজনের কথা অনেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভেবেছেন; আকারে-ইঙ্গিতে বিভিন্ন সময় বলেছেনও। কিন্তু এই লক্ষ্য সামনে রেখে শেখ মুজিব যেভাবে জেল-জুলুম সহ্য করেছেন এবং নানামুখী পরিকল্পনার মাধ্যমে ধাপে ধাপে বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে গেছেন, তা সত্যিই অতুলনীয়।
শেখ মুজিবের মতো রাজনৈতিক দূরদর্শিতা আর কারও মধ্যে দেখা যায়নি। পূর্ব বাংলায় ব্রিটিশ আমলে মাস্টারদা সূর্য সেন, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুসহ অনেকেই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামের সূচনা করলেও তা অসময়োচিত, অপরিকল্পিত হওয়ায় এবং এতে সাধারণ জনগণকে
সম্পৃক্ত করতে না পারায়, ওই সব সংগ্রাম চূড়ান্তভাবে সফল হয়নি।
পঞ্চাশ থেকে সত্তরের দশক পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে বঙ্গবন্ধুর বক্তৃতা-বিবৃতি, রাজনৈতিক কর্মসূচি, অসহযোগ আন্দোলন এবং স্বাধীনতার ঘোষণা পর্যন্ত ঘটনাপ্রবাহ পর্যালোচনা করলে তাঁর লক্ষ্য এবং তা অর্জনে তাঁর যে ব্যতিক্রমী ভূমিকা—তাঁর সঙ্গে অন্য কারও তুলনা চলে না।
দুই অংশে বিভক্ত পাকিস্তান সৃষ্টির পর পূর্বাঞ্চলের প্রদেশটির নাম ছিল পূর্ব বাংলা। এই নাম পরিবর্তন করে ‘পূর্ব পাকিস্তান’ করার উদ্যোগ নেয় পাকিস্তান সরকার। কিন্তু সেই প্রস্তাব শেখ মুজিব মেনে নিতে পারেননি। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানিরা পূর্ব বাংলার ‘পূর্ব পাকিস্তান’ নামকরণ করতে চাইলে, তৎকালীন গণপরিষদে দেওয়া বক্তৃতায় শেখ মুজিব তার বিরোধিতা করেন।
বাঙালিদের ওপর জুলুম ও শোষণের ভবিষ্যৎ পরিণতি সম্পর্কে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি প্রয়োজনে ‘অনিয়মতান্ত্রিক’ পথে এগোনোর ইঙ্গিত দেন তখনই। তিনি বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, আপনি দেখতেই পাচ্ছেন যে ওরা “পূর্ব বাংলা” নামটা পাল্টিয়ে “পূর্ব পাকিস্তান” করতে চাচ্ছে। অথচ আমরা বারবার এই দাবি করছি যে এখন এর নাম শুধু “বেঙ্গল” (বাংলা) করা হোক। “বেঙ্গল” (বাংলা) শব্দের একটা ইতিহাস রয়েছে, এর নিজস্ব ঐতিহ্য বিদ্যমান। আপনারা নাম বদলাতে চান, তাহলে আমাদের বাংলায় ফিরে গিয়ে জনগণকে জিজ্ঞেস করতে হবে তারা এ ধরনের পরিবর্তন মেনে নেবে কি না।’ (পাকিস্তানের চব্বিশ বছর: ভাসানী-মুজিবের রাজনীতি: প্রথম খণ্ড, এম আর আখতার মুকুল, পৃষ্ঠা-১৫৬)।
শাসকগোষ্ঠীকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, ‘জুলুম মত্ করো ভাই (অত্যাচার করো না ভাই), যদি এই সবকিছু আপনারা আমাদের ওপর চাপিয়ে দিতে চান, তাহলে আমাদের বাধ্য হয়েই সংবিধানবিরোধী পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে। সংবিধানের বিধি মোতাবেক আপনাদের এগোতে হবে। আপনারা যদি জনসাধারণকে শাসনতান্ত্রিক পদ্ধতি গ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেন, তাহলে তারা অনিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতি গ্রহণে বাধ্য হবে। এটাই বিশ্বের সর্বত্র ঘটে থাকে এবং তা বিশ্বের ইতিহাস থেকে অনুধাবন করা সম্ভব।’ (প্রাগুক্ত পৃষ্ঠা: ১৫৭-১৫৮)।
বামপন্থী সংগ্রামী সংগঠন কমিউনিস্ট পার্টি পূর্ব বাংলার জনগণের শোষণ, মুক্তি ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার লক্ষ্যে নানা কর্মসূচি হাতে নিলেও স্বাধীনতার কথাটি তখনো স্পষ্ট করেনি, যেমনটি ষাটের দশকের শুরুতে কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে যৌথ সভায় ব্যক্ত করেছিলেন শেখ মুজিব। বিশিষ্ট কমিউনিস্ট নেতা ও লেখক খোকা রায়ের মতে, ১৯৬১ সাল থেকেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখছেন। খোকা রায় লিখেছেন, ‘পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন ও অন্যান্য জাতীয় অধিকার লাভের আকাঙ্ক্ষা জনগণের মনে প্রবল থেকে প্রবলতর হয়ে উঠেছিল। গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক মহলের কোনো কোনো অংশে “স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান” দাবি গুঞ্জরিত হচ্ছিল। ১৯৬০-৬১ সালে কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভেতর “স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান” দাবি নিয়ে একটি সাধারণ আলোচনা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় কমিটির প্রায় সব সভ্যই “স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান” দাবিকে ন্যায়সংগত বলে মনে করেছিলেন। এ বিষয়ে অভিমত পার্টি একটি সার্কুলারে সে সময় প্রচারও করেছিল। হামদুর রহমান কমিশনের রিপোর্টের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ, বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজের ভেতর গভীর অসন্তোষ
জেগে উঠেছিল।
‘কিন্তু কমিউনিস্ট পার্টি এটাও উপলব্ধি করেছিল যে বাস্তব অবস্থা আন্দোলনের অনুকূলে হলেও পার্টির একার প্রচেষ্টায় কোনো আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব ছিল না। আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য কমিউনিস্ট পার্টিসহ পূর্ব পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর ঐক্য অন্তত আওয়ামী লীগ ও কমিউনিস্ট পার্টির ভেতর ঐক্য বা সমঝোতা একান্ত প্রয়োজন ছিল।...আওয়ামী লীগ ও কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সেই বৈঠক হয়েছিল ১৯৬১ সালের শেষ দিকে। সেসব বৈঠকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান ও মানিক মিয়া। কমিউনিস্ট পার্টির পক্ষে উপস্থিত ছিলাম মণি সিংহ ও আমি।...আলোচনার সময় শেখ মুজিবুর রহমান বারবার বলছিলেন যে “পাঞ্জাবের বিগ বিজনেস যেভাবে পূর্ব পাকিস্তানকে শোষণ করছিল ও দাবিয়ে রাখছিল, তাতে ওদের সঙ্গে আমাদের থাকা চলবে না। তাই এখন থেকেই স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আন্দোলনের প্রোগ্রামে ওই দাবি রাখতে
হবে, ইত্যাদি।
‘তখন আমরা (আমি ও মণিদা) শেখ মুজিবকে বুঝিয়েছিলাম যে কমিউনিস্ট পার্টি নীতিগতভাবে স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তানের দাবি সমর্থন করে, কিন্তু সে দাবি নিয়ে প্রত্যক্ষ আন্দোলনের পরিস্থিতি তখনো ছিল না। “স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান” দাবি নিয়ে ওই সব আলোচনার পরের বৈঠকে শেখ মুজিব আমাদের জানিয়েছিলেন, “ভাই, এবার আপনাদের কথা মেনে নিলাম। আমাদের নেতাও (সোহরাওয়ার্দী সাহেব) আপনাদের বক্তব্য সমর্থন করেন। তাই এখনকার মতো সেটা মেনে নিয়েছি। কিন্তু আমার কথাটা থাকল” ইত্যাদি।’ (সংগ্রামের তিন দশক, খোকা রায়, জাতীয় সাহিত্য প্রকাশনী, ১৯৮৬, পৃষ্ঠা ১৮১, ১৮২, ১৮৩)।
এদিকে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যখন ৬ দফা ও ১১ দফার আন্দোলন স্বাধিকার আন্দোলনের চূড়ান্ত রূপ লাভ করছিল, তখন (ফেব্রুয়ারি ’৭১) দেশের রাজনৈতিক অস্থির পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে পূর্ব বাংলার অন্যান্য রাজনৈতিক দল, উপদল ও গ্রুপগুলো স্বাধীনতার দাবি তুলতে থাকে ক্ষীণ স্বরে। কেউ ‘পূর্ব বাংলা স্বাধীন কর’, কেউ ‘পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন কর’, আর কেউ ‘স্বাধীন সার্বভৌম গণবাংলা কায়েম কর’ ইত্যাদি ভাসা ভাসা দাবি উত্থাপন করতে থাকে বিভিন্ন প্রচারপত্রের মাধ্যমে। আশ্চর্য যে ওই সব রাজনৈতিক সংগঠন একাত্তর সালের মার্চের প্রাক্কালেও ‘স্বাধীন বাংলাদেশ’ উচ্চারণ করতে পারছিল না (‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম’, রফিকুল ইসলাম, পৃষ্ঠা-৯৬)।
এ ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু ছিলেন অনেক এগিয়ে, তার প্রমাণ আমরা পাই উনসত্তর সালের ডিসেম্বরে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক পূর্ব পাকিস্তানের নাম ‘বাংলাদেশ’ ঘোষণার মধ্য দিয়ে। ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যু দিবসের এক আলোচনা সভায় শেখ মুজিবুর রহমান বলেন, ‘একসময় এ দেশের বুক হইতে, মানচিত্রের পৃষ্ঠা হইতে “বাংলা” কথাটির শেষ চিহ্নটুকুও মুছিয়া ফেলার চেষ্টা করা হইয়াছে। একমাত্র “বঙ্গোপসাগর” ছাড়া আর কোনো কিছুর নামের সঙ্গে বাংলা কথাটির অস্তিত্ব খুঁজিয়া পাওয়া যায় নাই। আমি ঘোষণা করিতেছি আজ হইতে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশটির নাম হইবে পূর্ব পাকিস্তানের পরিবর্তে শুধুমাত্র “বাংলাদেশ”।’ (বং বঙ্গ বাঙ্গালা বাংলাদেশ, মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, ভোরের কাগজ, ২৬ মার্চ ’৯৮)। এ কারণেই বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম অবিচ্ছেদ্য।
বিভুরঞ্জন সরকার, সহকারী সম্পাদক, আজকের পত্রিকা