চলতি মৌসুমে আমন সংগ্রহে সরকারের ঘোষিত সময়ের এক মাস পার হতে চলছে। যশোরের বিভিন্ন উপজেলায় ইতিমধ্যে আমন সংগ্রহ শুরুও হয়েছে। কিন্তু মনিরামপুরে এই ধান ও চাল সংগ্রহের বিষয় কোনো প্রস্তুতি নেই উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের। ধান কেনার উদ্বোধন তো দূরের কথা ক্রয় কমিটিকে নিয়ে এখনো প্রস্তুতি সভায় বসতে পারেননি তিনি।
কবে থেকে এ উপজেলায় আমন সংগ্রহ শুরু হবে তা নিশ্চিত বলতে পারেননি তিনি। এ দিকে অধিকাংশ কৃষক মাঠের ধান বাড়ি তুলে পরিষ্কার করে ইতিমধ্যে খোলা বাজারে বিক্রি করে দিয়েছেন।
মনিরামপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ইন্দ্রজিৎ সাহা বলেন, ‘একে তো খোলা বাজারে ধানের দাম বেশি। কৃষক গুদামে আসছেন না। এর পর আবার সময় পার হয়ে যাচ্ছে। অন্য উপজেলায় আমন সংগ্রহ শুরু হলেও আমরা এখনো প্রস্তুতি সভা করতে পারিনি। ক্রয় কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তাঁর কাছে বারবার যাচ্ছি। তিনি সময় ঠিক করে না দিলে সভা ডাকতে পারছি না।’
ইন্দ্রজিৎ সাহা বলেন, ‘গত ৪ নভেম্বর ধান কেনার জন্য চিঠি পাঠিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। এর পর ৮ নভেম্বর ধান কেনার জন্য জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অফিস থেকে সেই চিঠি হাতে পেয়েছি।’
এ কর্মকর্তা বলেন, ‘মনিরামপুর থেকে চলতি মৌসুমে ১ হাজার ৪৪৫ মেট্রিক টন আমন ধান ও ৪৮০ টন চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। ২৭ টাকা কেজি দরে প্রতিমণ ধানের দাম ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮০ টাকা। আর চালের কেজি ধরা হয়েছে ৪০ টাকা। লটারির মাধ্যমে প্রকৃত আমন চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনার সিদ্ধান্ত দিয়েছে মন্ত্রণালয়।’